ব্যাঙ্ক, হোটেল, মোবাইল সংযোগ কিংবা নানা পরিষেবায় পরিচয়পত্র হিসেবে আধার দিতে হয়। কিন্তু প্রয়োজন হলেই ১২ সংখ্যার পুরো আধার নম্বর দেওয়া সবসময় জরুরি নয়। তথ্য সুরক্ষিত রাখতে ইউআইডিএআই-এর রয়েছে কয়েকটি বিশেষ সুবিধা।
2
10
ইউআইডিএআই নিজেই যত্রতত্র আধারের কপি বা নম্বর শেয়ার না করার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনও পাবলিক প্ল্যাটফর্মে আধার নম্বর প্রকাশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
3
10
পুরো ১২ সংখ্যার নম্বরের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন মাস্কড আধার। এতে আধার নম্বরের প্রথম আটটি সংখ্যা গোপন থাকে এবং শুধুমাত্র শেষ চারটি সংখ্যা দেখা যায়।
4
10
ইউআইডিএআই-এর মাই আধার পরিষেবা থেকেই মাস্কড আধার ডাউনলোড করা যায়। ইউআইডিএআই-এর তথ্য অনুযায়ী, এই পরিষেবাটি বিনামূল্যে এবং মোবাইল ওটিপি-র প্রয়োজন হয়।
5
10
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হল ভার্চুয়াল আইডি (ভিআইডি)। এটি একটি ১৬ সংখ্যার অস্থায়ী নম্বর, যা প্রয়োজন অনুযায়ী আধার নম্বরের পরিবর্তে ব্যবহার করা যায়।
6
10
যেখানে আধার-ভিত্তিক অথেন্টিকেশন প্রয়োজন, কিন্তু আপনি নিজের আসল আধার নম্বরটি দিতে চাইছেন না, সেখানে ভিআইডি ব্যবহার করা যেতে পারে। ইউআইডিএআই-ও আধার নম্বর শেয়ার করতে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য ভিআইডি-এর সুবিধার কথা জানিয়েছে।
7
10
ইউআইডিএআই-এর ওয়েবসাইট, এম-আধার অ্যাপ অথবা আধার এসএমএস পরিষেবার মাধ্যমে ভিআইডি তৈরি করা যায়। আধারের নিরাপত্তায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হল বায়োমেট্রিক লক। এর মাধ্যমে আঙুলের ছাপ এবং চোখের মণির তথ্য লক করে রাখা যায়। প্রয়োজনে আনলক করা যায়।
ইউআইডিএআই-এর নতুন আধার অ্যাপে ব্যবহারকারীরা নিজেদের পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য ডিজিটালি শেয়ার করতে পারেন। প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ বা আংশিক তথ্য শেয়ার করার সুযোগ রয়েছে এবং এই শেয়ারিং ব্যবহারকারীর সম্মতির ভিত্তিতে হয়।
10
10
প্রয়োজন ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে আধার নম্বর শেয়ার করা যায়। ইউআইডিএআই-এর পরামর্শ, আধার-কে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, প্যান বা পাসপোর্টের মতোই সংবেদনশীল পরিচয়পত্র হিসেবে বিবেচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করা।