মাসের শেষে বিদ্যুতের বিল হাতে পেয়ে অনেকেরই মাথায় হাত পড়ে। ফ্যান, টিভি কম ব্যবহার করলেই যে বিল কমবে, এমনটা ভাবনা সব সময় ঠিক নাও হতে পারে। কিন্তু আসল সাশ্রয়ের জায়গা লুকিয়ে থাকতে পারে বাড়ির একেবারে ছোট একটি জিনিসে। তা হল সুইচবোর্ডের ইন্ডিকেটর লাইটে।
2
8
বাড়ির প্রায় প্রতিটি সুইচবোর্ডেই লাল বা সবুজ রঙের ইন্ডিকেটর লাইট থাকে। এর প্রধান কাজ বাড়িতে বিদ্যুৎ রয়েছে কি না তা সংকেত দিয়ে বোঝানো। কিন্তু এই ছোট আলো দিনের ২৪ ঘণ্টা জ্বলতে থাকলে সেখান অনেকটা বিদ্যুৎ খরচ হয়।
3
8
একটি সাধারণ ইন্ডিকেটর লাইট বছরে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। অর্থাৎ, শুধু এই ছোট লাইটের কারণেই বছরে কয়েকশো টাকা অতিরিক্ত বিল দিতে হতে পারে গ্রাহকদের।
4
8
এখন কী করণীয়? পুরনো ইনক্যান্ডেসেন্ট বা নিওন ইন্ডিকেটরের বদলে কম পাওয়ারের এলইডি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া ইন্ডিকেটর বন্ধ রাখলে বিদ্যুতের সাশ্রয় হবে।
5
8
একটি সুইচবোর্ডে একাধিক ইন্ডিকেটর থাকলে সবসময় সবগুলি জ্বালিয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। এর ফলে বিলও আসবে কম। অনেক বাড়িতে ইনভার্টারের কারণে ইন্ডিকেটর সারাক্ষণ জ্বলতে থাকে। এই সংযোগগুলি আলাদা করা গেলে বিদ্যুৎ খরচ কমানো সম্ভব
6
8
শুধু ইন্ডিকেটর নয়, বাড়িতে এলইডি বাল্ব ব্যবহার করলে বিদ্যুতের বিল কম আসবে। সাধারণ বাল্ব বা সিএফএলের তুলনায় এলইডি বাল্ব প্রায় ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে।
7
8
টিভি, কম্পিউটার, চার্জারের মতো যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করেও প্লাগ ইন করে রাখলে বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। তাই স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকা যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখাই শ্রেয়। পাশাপাশি বেশি স্টার রেটিংয়ের এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যান ও ফ্রিজ ব্যবহার করলে অনেক বিদ্যুতের সাশ্রয় হয়।
8
8
বাড়িতে পাঁচটি সুইচবোর্ডের ইন্ডিকেটর এলইডি দিয়ে বদলে দিলে বা অপ্রয়োজনীয় ইন্ডিকেটর সরিয়ে দিলে মাসে অন্তত ৫০-৬০ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হতে পারে। এর ফলে মাসিক বিল ৩০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে। বছরে সাশ্রয় হতে পারে কয়েক হাজার টাকা।