৮ম পে কমিশন গঠনের পর ইতিমধ্যেই ১০ মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর গঠিত এই কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই।
2
9
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, পেনশনভোগী এবং বিভিন্ন কর্মী সংগঠনের দাবি ও সমস্যাগুলি পর্যালোচনা করে বেতন, পেনশন, ভাতা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে পরিবর্তনের বিষয়ে সুপারিশ করাই কমিশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
3
9
৮ম পে কমিশনকে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ১৮ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক মাসে দেশের বিভিন্ন শহরে কর্মী ও সংগঠনগুলির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে কমিশন।
4
9
সেপ্টেম্বর মাসে পুদুচেরিতে ৯ সেপ্টেম্বর বৈঠক হয়। এরপর ১৬, ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর চণ্ডীগড়েও বৈঠক করেছে কমিশন। আগামী অক্টোবর মাসে বেঙ্গালুরুতে ৭ ও ৮ অক্টোবর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
5
9
এই বৈঠকগুলিতে কর্মী সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর, বেতন পুনর্নির্ধারণ, পেনশন সংস্কার, বিভিন্ন ভাতা এবং অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা।
6
9
২০০৪ সালের পর কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়া কর্মীদের ক্ষেত্রে পেনশন ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। বিভিন্ন কর্মী ও পেনশনভোগী সংগঠনের দাবি, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বর্তমান ‘contributory pension’ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা প্রয়োজন।
7
9
৮ম পে কমিশনের কাছে জমা দেওয়া বিভিন্ন স্মারকলিপিতে কর্মী সংগঠনগুলি জানিয়েছে, বর্তমান ব্যবস্থায় কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কিছু সংগঠন পুরনো সংজ্ঞায়িত সুবিধাভিত্তিক পেনশন ব্যবস্থায় ফেরার দাবি জানিয়েছে।
8
9
শুধু OPS বা NPS নয়, বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে উচ্চতর ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর, পেনশন সমতা এবং ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধির দাবিও উঠেছে।
9
9
এই সমস্ত দাবি ও প্রস্তাব পর্যালোচনা করার পর ৮ম পে কমিশন সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ পেশ করবে। বর্তমানে কমিশনের রিপোর্ট ২০২৭ সালের মে-জুন নাগাদ জমা পড়তে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সময়সূচি কমিশনের কাজের অগ্রগতি এবং সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।