কোলাজেন শরীরের সবচেয়ে গঠনমূলক প্রোটিন। এটি ত্বক, হাড়, পেশি সহ দেহের বিভিন্ন অংশে স্থিতিস্থাপকতা প্রদান করে। এর ফলে শরীর সুস্থ আর তারুণ্যে ভরপুর থাকে৷
2
12
কোলাজেন অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে তৈরি। এটি সংযোগকারী টিস্যুর বহির্কোষকে গঠনমূলক সহায়তা প্রদান করে৷ কোলাজেন নষ্ট হয়ে গেলে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়৷ অকালেই চুল পড়ে যাওয়া বা বুড়িয়ে যাওয়া এর মধ্যে অন্যতম৷ কোন খাবারগুলি শরীরে কোলাজেন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, জেনে নেওয়া যাক৷
3
12
টকজাতীয় ফল - ভিটামিন সি কোলাজেন বৃদ্ধিতে বিশেষ সাহায্য করে৷ যে কোনও টক জাতীয় ফলেই ভিটামিন সি থাকে৷
4
12
মুরগির মাংস - মুরগির মাংসে গ্লাইসিন এবং প্রোলিন নামক দুটি উপাদান থাকে। এগুলি কোলাজেনের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডের ঘাটতি পূরণ করে৷ তাই কোলাজেন বৃদ্ধিতে মুরগির মাংস বিশেষ উপকারী।
5
12
বেরি - অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ফলগুলি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং ত্বকে কোলাজেন নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে৷
6
12
ডিম - ডিমে প্রোলিন এবং গ্লাইসিন থাকে, যা কোলাজেনের জন্য অপরিহার্য উপাদান। তাই নিয়মিত ডিম খেলে কোলাজেন গঠনে সুবিধা হয়৷
7
12
সবুজ শাকসবজি - সবুজ শাকসবজিতে ভিটামিন সি এবং ক্যারোটিনয়েড থাকে৷ এটি কোলাজেনকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করে৷
8
12
মাছ - মাছ খেলে কোলাজেন গঠনে সুবিধা হয়৷ কারণ মাছ আমাদের শরীরে পেপটাইড এবং অ্যামিনো অ্যাসিড সরবরাহ করে যা কোলাজেন গঠনে প্রয়োজন হয়৷
9
12
ডাল - ডাল কোলাজেন উৎপাদন এবং ত্বকের ক্ষতি নিরাময়ের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সরবরাহ করে।
10
12
বাদাম - বাদামে প্রোটিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে৷ এটি পরোক্ষভাবে কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে৷
11
12
টমেটো - টমেটোতে আছে লাইকোপিন নামক এক উপাদান৷ এটি কোলাজেনকে সূর্যের ক্ষতিকারক ইউভি রশ্মি থেকে বাঁচায়৷
12
12
রেড ওয়াইন - এর মধ্যে থাকা রেসভেরাট্রল কোলাজেনের ভাঙন রোধ করতে সাহায্য করে৷ বৈজ্ঞানিকদের মতে, রেসভেরাট্রল হল আঙ্গুরের খোসায় পাওয়া একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে৷ তবে অতিরিক্ত রেড ওয়াইন খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর৷