সদ্য বিয়ে হয়েছে শান্তি ও জয়ন্তর। এর মধ্যেই তাদের মাঝে দূরত্ব তৈরি হতে চলেছে? ধারাবাহিকের আগামী পর্ব তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। গল্পে ইতিমধ্যেই এন্ট্রি হয়েছে নতুন চরিত্রের। সে জয়ন্তর হাসপাতালের নার্স। এই চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী রোশনি ভট্টাচার্যকে। 

গল্পে দেখা যাচ্ছে, শান্তি ফোন করে জয়ন্তকে। আর সেই ফোন ধরে ওই নার্স। জানায়, জয়ন্ত এখন ব্যস্ত। তখন থেকেই মনটা কেমন যেন করে ওঠে শান্তিলতার। এরপর জয়ন্ত বাড়ি ফিরলে শান্তি তার জামাকাপড়ে মেয়েদের পারফিউমের গন্ধ পায়। শান্তি মনে মনে ভাবে, এই রকম পারফিউম তো সে ব্যবহার করে না। আর জয়ন্তও এমন ছেলে নয় যে মেয়েদের পারফিউম মাখবে! তাহলে জয়ন্তর জামায় কীভাবে এরকম মেয়েদের পারফিউমের অচেনা গন্ধ এল? চিন্তা চলে শান্তির মাথায়। 

তাহলে কি ওই নতুন নার্সকে নিয়ে জয়ন্তকে সন্দেহ করবে শান্তি? বিয়ের পরেই ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হবে তাঁদের? কী হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক মহল।

কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল, নন্দ ও লাবণ্য বিয়ে করে বাড়িতে এসেছে। আর সেই দেখে বংশী জিজ্ঞাসা করে, ওরা কি কোনও যেমন খুশি সাজো প্রতিযোগিতায় যাচ্ছে? জবাবে শান্তি বলে, ওরা একে অপরকে ভালবাসত, তাই তারা বিয়ে করেছে। 

এই কথা শুনে চটে লাল বংশী। তাদের বাড়ির ঐতিহ্যবাহী নিয়ম অনুযায়ী নাকি প্রেম করে বিয়ে করাই যাবে না। এদিকে, বংশীর ভাগ্নে তাকে আরও রাগিয়ে দেয়। সে বলে, কেবলমাত্র নন্দ ও লাবণ্য নয়, শান্তি ও জয়ন্তও প্রেম করেই বিয়ে করেছে। আর তার চোখে ধুলো দিয়ে এতদিন সেটা গোপন করে রেখেছে। এই কথা শুনে আরও চটে যায় বংশী। সে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। টিআরপির নিরিখে মোটামুটি ভালই ফল করে এই ধারাবাহিক। গল্পের নিত্যনতুন মোড়ে আসছে আরও চমক। ফলে টিআরপিতেও এই মেগার আরও নম্বর বাড়ার আসা রয়েছে।