ফের বিপদের মুখে গোরা ও দিতি! এবার মহাপ্রভুর পুজোয় বাধা? ঘটতে চলেছে বিরাট অনর্থ? এমনই ইঙ্গিত মিলেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'তারে ধরি ধরি মনে করি'র নতুন প্রোমোয়। দেখা যাচ্ছে, ধুমধাম করে মহাপ্রভুর পুজোর আয়োজন করা হয়েছে গোরাদের বাড়িতে। গোরার দাদু পুজো শুরুর আগে বলেন পুজোর কাঠ প্রতিবছর নিজে থেকেই গঙ্গায় ভেসে আসে। সেই কাঠ যেন কিছুতেই হাতছাড়া না করা হয়। না হলে ঘোর বিপদ নেমে আসবে। 

এর মধ্যেই পূর্বজন্মের হিসেবে-নিকেশ দেওয়ার সেই সাধু লুকিয়ে ঢোকে গোরাদের বাড়িতে। আর সে এসেই বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে দেয়। ফলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে সবাই‌‌। কোনও মতে কাঠ চুরি করে বাইরে পালিয়ে আসে পুলস্ত ও কুন্তলিনী। পরে জ্ঞান ফিরতেই গোরা ও দিতি দেখে পুজোর কাঠ নেই‌‌। তাদের সন্দেহ গিয়ে পড়ে পুলস্তদের উপরেই। তখনই তারা খুঁজতে থাকে তাদের। আর দেখতে পায় ওই কাঠ দিয়ে অশুভ শক্তির পুজো করতে যাচ্ছিল তারা। দিতি ও গোরা কি পারবে এই ভয়ঙ্কর পাপ না হতে দিতে? মহাপ্রভুর পুজো কি তারা ঠিক করে করতে পারবে? কী হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক মহল।

কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল কুন্তলিনীকে একজন সাধু তার পূর্বজন্মের কথা মনে করাচ্ছে। সে তাকে বলে আগের জন্মে সে গোরাকে ভালবাসত, তখন তার নাম ছিল তমালিনী। আর দিতির জন্য তার গোরাকে পাওয়া হয়নি। দিতি এই জন্মেও তার পথের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন ফুল মুরারী কাব্যের তৃতীয় খণ্ড খুঁজছে দিতি। যদি দিতির হাতে সেই তৃতীয় খণ্ড এসে একবার পৌঁছায়, তাহলে কুন্তলের আর গোরাকে পাওয়া হবে না। সাধুর এই কথা শুনে দিতিকে আটকাতে চলে যায় সে। এদিকে দিতি একটা পুকুরের সামনে এসে দাঁড়ায়। মনে মনে ভাবে এই পুকুরের নিচেই ৪০০ বছর ধরে একটা কচ্ছপ ফুল মুরারী কাব্যের তৃতীয় খণ্ড পাহারা দিচ্ছে। কিন্তু সেটা কীভাবে পাবে সে? 

দিতি এই কথা ভাবতে ভাবতেই তাকে পিছন থেকে আচমকা ধাক্কা দিয়ে জলে ফেলে দেয় কুন্তল। কিন্তু দিতি জলে তলিয়ে যেতে যেতে দেখতে পায় সেই কচ্ছপকে। কচ্ছপের সাহায্যেই ওই পূরাণ উদ্ধার করে আনে সে। কিন্তু কুন্তলিনী গোরাকে পাওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে। সে চেষ্টা করতে থাকে, যাতে দিতিকে সরিয়ে গোরাকে কাছে পায় সে। কিন্তু বারবার তার সব চেষ্টা বিফলে যেতে থাকে। আগামীতে কী হবে এর পরিণতি, এখন সেটাই দেখার।