বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে এমন কিছু অজানা তথ্য ফাঁস করেছেন, যা এখন নেটপাড়ার চর্চার অংশ। হেমা জানিয়েছেন, তিনি যখন প্রথম রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাঁর স্বামী অর্থাৎ কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র একেবারেই সমর্থন করেননি। তবে এই যাত্রায় তাঁকে পুরো সমর্থন জুগিয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেতা ও রাজনীতিক বিনোদ খান্না।
হেমা মালিনীর জানান, ধর্মেন্দ্র নিজে রাজনীতিতে থাকার সুবাদে এই ধরনের অভিজ্ঞতাগুলো তাঁর আগে থেকেই ছিল। তাই স্ত্রীর নিরাপত্তার কথা ভেবে তিনি সবসময় শিউরে উঠতেন। যখনই হেমা নির্বাচনী প্রচারে বা জনসভার উদ্দেশ্যে হেলিকপ্টারে কিংবা বিরাট জনসমুদ্রে মধ্যে যেতেন, ধর্মেন্দ্রর বুক কাঁপত। তিনি প্রায়ই বলতেন, “এত ভিড়ে যাওয়ার কী দরকার? শুধু নিজের খেয়াল রেখো।”
কিন্তু রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য হেমার যাওয়াটা বাধ্যতামূলক ছিল। অন্যদিকে, হেমার মা তাঁকে সবসময় উৎসাহ দিতেন। তিনি বলতেন যে, "এতদিন তো শুধু মানুষকে বিনোদন দিয়েছো, এবার দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ এসেছে—এটা হাতছাড়া করো না।"
রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি কীভাবে হয়েছিল, তা স্মরণ করে হেমা জানান, ১৯৯৯ সালে গুরদাসপুরে বিনোদ খান্নার হয়ে প্রচার করতে গিয়েই তাঁর অফিশিয়াল পলিটিক্যাল জার্নি শুরু হয়। বিনোদ খান্নাই তাঁকে প্রথম জনসভার সামনে কথা বলা এবং জনতার মুখোমুখি হওয়ার কৌশল শিখিয়েছিলেন। প্রথমদিকে হাজার হাজার মানুষের সামনে বক্তৃতা দিতে তাঁর ভীষণ ভয় করত। এমনকী তাঁর প্রথম হিন্দি ভাষণটি লিখে দিয়েছিলেন তাঁর মা। তবে হেমার কথায় স্পষ্ট ছিল, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ধর্মেন্দ্র তাঁর রাজনীতিতে আসাটা পছন্দ করেননি, কিন্তু তাঁকে কখনও বাধাও দেননি প্রয়াত অভিনেতা।
















