আর্যর অতীত নিয়ে অপুর সন্দেহ আর যায় না। অপর্ণা শুরু থেকেই আর্যর অজানা অতীত নিয়ে চিন্তিত থাকে সে। আর্য তাকে প্রায় সব কথা বললেও যেন কিছু একটা গোপন করে যায়। তাই মাঝে মাঝেই মন খারাপ থাকে তার। আর্য-অপর্ণার বিয়ের পর যেন আরও বেশি করে অতীতের মুখোমুখি হতে হচ্ছে অপুকে। তাই জমে উঠেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'চিরদিনই তুমি যে আমার'।

 

গল্পে এবার আসতে চলেছে নতুন এক মোড়। গল্পের টুইস্ট এবার পুরোপুরি আর্যর অতীতকে ঘিরে। সদ্য প্রকাশ্যে এসেছে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। দেখা যাচ্ছে, আর্য অপর্ণাকে বলছে তার সবকিছুর সঙ্গে যদি সে থাকতে চায় তাহলে এই বিষয়টাও জানতে হবে। এই কথা বলে অপুকে বন্ধ দরজার খুলে একটা ঘরে ঢুকিয়ে দেয়।‌

 

এই ঘরে প্রথম এসেও অপুর যেন সবকিছু খুব চেনা লাগে। বারবার মনে হতে থাকে সে যে আগেও বহুবার এই ঘরে এসেছে। এসব ভাবতে ভাবতেই হঠাৎই রাজনন্দিনীর ছবির দিকে চোখ যায় তার।‌ আঁতকে ওঠে অপু। সে ভাবে, এই ছবির মুখটাই তো তার কল্পনায় বারবার আসে। আর্যর প্রাক্তন স্ত্রী রাজনন্দিনীর সঙ্গে তার কী যোগসূত্র আছে? 

 

 

কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল আর্যকে কিডন্যাপ করেছে মেঘরাজ। এদিকে অপর্ণা যখন আর্যকে নিয়ে পালানোর কথা বলে মেঘরাজ তাকে বলে ওঠে কাকে নিয়ে অপর্ণা পালাতে চাইছে, একজন খুনিকে নিয়ে? রাজনন্দিনীকে খুন করেছে আর্য। আর সেই কথা শুনে চেঁচিয়ে ওঠে অপর্ণা। তার মাথা ঘুরতে শুরু করে। যদিও আর্যর প্রতি তারপরও বিশ্বাস হারায়নি অপু। 

 

এদিকে, মাঝেমধ্যেই পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে অপর্ণার। তখন আর নিজের মধ্যে থাকে না সে। হয়ে ওঠে রাজনন্দিনী। হ্যাঁ, অপুই রাজনন্দিনী। পুনর্জন্ম হয়েছে তার। কিন্তু রাজনন্দিনীর মৃত্যু রহস্য এখনও পর্যন্ত ধোঁয়াশায়। কীভাবে মারা গিয়েছিল সে? সেই উত্তর এখনও পর্যন্ত গল্পে মেলেনি। তাই এবার সেই উত্তর পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন দর্শক। ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হবে সত্যির পর্দা ফাঁস? সেই উত্তর তো সময়ই বলবে।‌ তবে বর্তমানে টিআরপিতে সেভাবে জায়গা করতে পারছে না এই ধারাবাহিক। গল্পের এই টানটান উত্তেজনাপূর্ণ মোড়ে কী হয়, এখন সেটাই।