৪ জুন, বৃহস্পতিবার রাতে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ গ্রেফতার করে স্বরূপ বিশ্বাসকে। টলিউডের এক মেকআপ তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন। সেটার ভিত্তিতেই গ্রেফতার হন টলিউডের ফেডারেশনের প্রাক্তন সর্বেসর্বা, তথা সভাপতি। এবার অভিযোগকারিণী যা অভিযোগ আনলেন তাঁর বিরুদ্ধে তা চমকে দেওয়ার মতো। তাঁকে খুনের হুমকি থেকে আপোস করার শর্ত দেওয়া হয় ফেডারেশনের সেক্রেটারির বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য!
আজকাল ডট ইনকে এদিন কী কী ঘটেছিল তাঁর সঙ্গে সবটা জানিয়ে অভিযোগকারিণী বলেন, "আমাকে বিগত ২ বছর ধরে কাজ দেওয়া হতো না। গিল্ডের যে সেক্রেটারি, বাপি মালাকার তাঁর কাছে কাজ চাইতে যেতাম। কিন্তু উনি কোনও মতেই আমাকে সাহায্য করতেন না। এই কারণে ফেডারেশনে আমি একটা চিঠি দিই ২৩ মার্চ। সেই চিঠির উত্তর আমি স্বরূপ বিশ্বাসের কাছ থেকে কখনই পাইনি। উনিই তো আমাদের সভাপতি ছিলেন, ওঁর কাছেই চিঠিটা দিয়েছিলাম।"
তাঁর আরও সংযোজন, "৩ এপ্রিল রাত ১০.৩০ টায় আমার কাছে একটা ফোন আসে। ফোনটা করেছিলেন স্টিল ফটোগ্রাফার শান্তনু দে। উনি ফোন করে বলেন, 'তোমার সঙ্গে কিছু কথা আছে, তোমার বাড়িতে গিয়ে কি কাল বলতে পারি?' আমি ফোনেই বলতে বলি। তাতে উনি বলেন, 'ফোনে বলা যাবে না। যা বলার সামনে এসেই বলব।' ৪ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় উনি আসেন। আসার পর উনি আমায় হুমকি দেন। বলেন, 'বাপি মালাকারের নামে যে চিঠিটা দিয়েছ সেটা তুলে নাও, নইলে স্বরূপ বিশ্বাস এবং বাপি মালাকার, দু'জন মিলে তোমায় মার্ডার করে দেবে। এমন ভাবে খুন করবে যে তার কোনও চিহ্ন থাকবে না। দেখানো হবে তুমি আত্মহত্যা করেছ।' উনি এও বলেন, 'মেয়ে সাপ্লাই করো, নইলে একদিন, দু'দিন করে স্বরূপ বিশ্বাস আর বাপি মালাকারের শয্যাসঙ্গিনী হও।"
এই প্রস্তাবগুলোর একটিও কি স্বরূপ বিশ্বাস নিজে কখনও তাঁকে দিয়েছেন, বা অশালীন আচরণ করেছেন কিনা জানতে চাইলে অভিযোগকারিণী বলেন, "সেটা করেননি। কিন্তু খারাপ কথা বলা করিয়েছেন। আমার কাছে উনিই মূল আসামী। আর উনি কারও সঙ্গে কথা বলতেন না।"















