স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে পুলিশের হানা। নিউ আলিপুরের সাহাপুর কলোনিতে সোমবার সকালে পুলিশ বাহিনী এসে পৌঁছায়। গত বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার হন স্বরূপ বিশ্বাস। আপাতত পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এই ফ্ল্যাটে কোনও নথিপত্র আছে কিনা, সে সংক্রান্ত তথ্যের খোঁজে সম্ভবত পুলিশ আধিকারিকরা 'বিশ্বাস ব্রাদার্সে'র বাড়িতে হানা দেয় বলেই খবর।
স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হওয়ার পরই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে ভিত্তিতে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর। স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। হুমকি, শ্লীলতাহানি, তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগের কারণে পুলিশ গ্রেপ্তার করে স্বরূপকে আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ হয়। সেখানেই চলে জিজ্ঞাসাবাদ। আর সেই জিজ্ঞাসাবাদে ভিত্তিতেই ফেডারেশনের আরও চার সদস্যকে নিউ আলিপুর থানায় ডেকে পাঠিয়েছে পুলিশ বলেই পুলিশ সূত্রে খবর।
ফেডারেশনের চারজন সদস্যকে ডেকে পাঠানোর মূল কারণ, পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমেই আরও একাধিক তথ্য ও প্রমাণ খুঁজে বার করার চেষ্টা করছে। এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর। জানা যাচ্ছে, যে চারজনকে ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁরা স্বরূপ বিশ্বাসের পূর্ব ঘনিষ্ঠ। পুলিশের অনুমান এই চারজনের কাছে একাধিক তথ্য পাওয়া যাবে বলেই তাঁদেরকে ডেকে পাঠানো হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে টালিগঞ্জের নবনির্বাচিত বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী ভেঙে দেন ফেডারেশন, 'বিশ্বাস ব্রাদার্স'-এর একচ্ছত্র আধিপত্য বন্ধ করার বার্তা দেন। এক ছাতার তলায় টলিউডকে আনার কথা বলেন। তার ঠিক একদিন পরই পুলিশের জালে স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, টলিপাড়ায় টেকনিশিয়ানদের থেকে টাকা তুলতেন তিনি। একদিকে যখন মেসি কাণ্ড নিয়ে দাদা অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে সেই পরিস্থিতিতেই একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্বরূপ বিশ্বাসকে।















