সলমনের সাহসী সিদ্ধান্ত 

সলমন খান তাঁর পরবর্তী প্রজেক্ট নিয়ে এক অভাবনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দক্ষিণী পরিচালক বংশী পাইডিপল্লী এবং প্রযোজক দিল রাজুর সঙ্গে তাঁর আসন্ন ছবির জন্য তিনি নিজের মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক ছেড়ে দিয়েছেন। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সলমন এই ছবির জন্য কোনও নির্দিষ্ট 'অ্যাডভান্স' বা বেতন নিচ্ছেন না; বরং তিনি ছবির লভ্যাংশের ভাগীদার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কেন এই নতুন কৌশল? সাধারণত সলমন তাঁর একটি ছবির জন্য ১০০ কোটি টাকারও বেশি পারিশ্রমিক নেন। তবে এই ছবির ক্ষেত্রে তিনি বেছে নিয়েছেন 'প্রফিট-শেয়ারিং' পদ্ধতি। এর অর্থ হলো, ছবিটি বক্স অফিসে যত বেশি ব্যবসা করবে, সলমনের আয়ও তত বাড়বে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ছবির গুণমান এবং সাফল্যের প্রতি অগাধ আত্মবিশ্বাস থেকেই অভিনেতার এই সাহসী পদক্ষেপ।

 

জনের নয়া কাণ্ড 

বলিউডের 'অ্যাকশন স্টার' জন আব্রাহাম এবার খবরের শিরোনামে তাঁর কোনও ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর বিলাসবহুল অফিসের ভাড়ার জন্য। সম্প্রতি জন আব্রাহামের প্রযোজনা সংস্থা 'জেএ এন্টারটেইনমেন্ট' মুম্বইয়ের বান্দ্রা ওয়েস্টের অতি অভিজাত পালি হিল এলাকায় তাঁদের অফিসের লিজ  নবীকরণ করেছে।


২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত নথি অনুযায়ী, এই প্রপার্টির জন্য জন প্রতি মাসে ১২ লক্ষ টাকা করে ভাড়া দেবেন। এর আগে ২০২৩ সালে এই একই জায়গার জন্য তিনি ১১ লক্ষ টাকা ভাড়া দিতেন। অর্থাৎ এক ধাক্কায় ভাড়ার অঙ্ক বেশ খানিকটা বেড়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ১২ মাস পর এই ভাড়া আরও বেড়ে ১২.৫ লক্ষ টাকা হবে। এই অফিসটি নিশ্চিত করতে জন আব্রাহামকে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে দিতে হয়েছে ৬৬ লক্ষ টাকা।'সুপ্রিম আর্টভেদা' Supreme ArtVeda) নামক এই প্রোপার্টিটি ৩,২৫৫.৭৫ বর্গফুট এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। বাজাজ বিল্ডার্স-এর মালিকানাধীন এই জায়গাটি জন তাঁর প্রোডাকশন হাউসের কাজের জন্য ব্যবহার করেন। পালি হিল এলাকাটি বলিউডের অনেক তারকার ঘরবাড়ি ও অফিসের জন্য পরিচিত, আর সেখানে জনের এই বিশাল বিনিয়োগ তাঁর ব্যবসার প্রসারেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।


ফের ফিরছে ‘তানাজি’ জুটি? 

বক্স অফিসে অজয় দেবগণের কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ছবি ‘তানাজি: দ্য আনসাং ওয়ারিয়র’। সেই সাফল্যের স্মৃতি উসকে দিয়ে এবার ‘আনসাং ওয়ারিয়র’ ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বড় পর্দায় ফিরিয়ে আনছেন অজয় দেবগন এবং পরিচালক ওম রাউত। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অজয় এমন এক মারাঠা বীরের গল্প খুঁজে পেয়েছেন, যা তানহাজির মতোই শৌর্য ও আত্মত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল।সূত্রের খবর, ওম রাউতের দেওয়া নতুন এই গল্পের আইডিয়া অজয়ের এতটাই পছন্দ হয়েছে যে তিনি তৎক্ষণাৎ সম্মতি দিয়েছেন। তবে অভিনেতা-প্রযোজক অজয় দেবগণ এবার গুণমানের পাশাপাশি খরচের দিকেও কড়া নজর রাখছেন। তিনি ওম রাউত এবং নিজের ভিএফএক্স সংস্থা কে একটি নির্দিষ্ট বাজেট প্রস্তাব করতে বলেছেন। অজয় চান এই বীরগাথা যেন জাতীয় স্তরে এক অভাবনীয় ভিজ্যুয়াল ট্রিট হয়, কিন্তু তা যেন বাণিজ্যিক দিক থেকেও লাভজনক থাকে।

 

 

বর্তমানে বড় বড় স্টুডিওর সাথে এই প্রজেক্টের জন্য কত টাকাপয়সা লাগতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ছবির প্রি-প্রোডাকশন এবং ‘ওয়ার্ল্ড-বিল্ডিং’-এর কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ওম রাউত এবং অজয় দেবগনের মধ্যে একের পর এক মিটিং চলছে, এবং খুব শীঘ্রই ছবিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে।