সম্প্রতি মিমি চক্রবর্তী বনাম তনয় শাস্ত্রী তর্জা তুঙ্গে। এছাড়াও টলিউডের বিভিন্ন অভিনেতা, অভিনেত্রীদের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে দেখা যায়। কখনও তাঁরা গান গান, কখনও আবার নাচেন। ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা, বিনোদনের সমস্ত মাধ্যমের অভিনেতারাই এই ধরনের অনুষ্ঠানে যান। এবার কারও নাম করে, অভিনেতা, অভিনেত্রী যাঁরা কোনও অনুষ্ঠানে গিয়ে গান করেন তাঁদের খোঁচা দিয়ে একটি পোস্ট ভাগ করে নিলেন গায়িকা সাহানা বাজপেয়ী।
সাহানা তাঁর পোস্টে এদিন জানান আজকাল অভিনেতা, অভিনেত্রী হওয়া ভাল। এতে ছবির কাজের পাশাপাশি পাড়ায় পাড়ায়, মেলা, বিদেশে গিয়ে গানের অনুষ্ঠান করা যায়। গায়িকা খোঁচা দিয়ে তাঁর পোস্টে লেখেন, 'ভাবছি বাংলা ছবির নায়ক - নায়িকা হলেই ভালো হতো। যাঁরা পেশাদার সংগীতশিল্পী তাঁদের পেটে লাথি মেরে পাড়ায় পাড়ায় মেলায় মেলায় দেশে বিদেশে বেশ গানের অনুষ্ঠান পাওয়া যেত প্রচুর! গান ফান শেখা - জানার কোনো দরকারই নেই - গিটারে ৩টে কর্ড জানলেই হবে। আর মুখে আধ - সেদ্ধ বাতেলা I ওই ৩টে কর্ড দিয়েই সব গান হয়ে যাবে।"
তিনি আরও লেখেন, "আর যেহেতু হিরো-হিরোইন, পর্দায় গানে হেবি লিপ দিতে পারি, তাই নিজে যখন গাইবো, তখনও সব গানই দুর্দান্ত ভালো হবে। কারণ অন্যের গাওয়া গানে লিপ দিয়ে নেচে কুঁদেই তো আসল সংগীতশিল্পী হওয়া যায়। আর এই সুবাদে হাততালিতে ফেটে পড়বে হলের পর হল। বিগলিত-প্রাণ অনুষ্ঠানকর্তারা ফেব্রিক রং দিয়ে একতারা আঁকা পাঞ্জাবি পরে সেইসব হিট পে হিট গানের জলসার চারপাশে ফুরফুর করে ঘুরবেন আর ভাববেন বাংলা সংস্কৃতির এই অনির্বচনীয় উদযাপনে তিনি কতই না মহান একটি ভূমিকা পালন করলেন। যে কোনো দ্য সাউথ ক্যালকাটা বুটিক স্কুল অফ ফিল্মস-এ বেশ স্টাইলিশ, মেজোকামিমার রোল হলেও চলবে।" ( পোস্টদাতার বানান অপরিবর্তিত রাখা হল)
এই পোস্টের সঙ্গে গায়িকা তাঁর নিজের একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। বলাই বাহুল্য, তাঁর এই লেখায় ভারী মজা পেয়েছেন অনুরাগীরা। এক ব্যক্তি মন্তব্য করেন, 'ভয়াবহ গান করেন কয়েকজন। এঁরা গানটা করেন কেন?' আরও এক নেটিজেন লেখেন, 'আপনাকে পর্দায় দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করব।'
