উদয়পুরে রাজকীয় বিয়ের পর্ব সেরেছেন  বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মান্দানা। ২৬ ফেব্রুয়ারি বিয়ের পর ২৭ ফেব্রুয়ারি বিজয়-রশ্মিকা এসেছিলেন হায়দরাবাদে৷ সোমবার এসে পৌঁছেছেন তেলঙ্গানার মেহবুবনগরে অবস্থিত থুম্মনপেটে৷ জন্মভিটেতে নবদম্পতির আগমনের মুহূর্ত ছিল জাঁকজমকপূর্ণ। 

দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্য মেনে বিজয়-রশ্মিকাকে স্বাগত জানানো হয়েছে। গ্রামের প্রবীণরা নবদম্পতির বিবাহিত জীবনের মঙ্গল কামনা করেছেন৷ নববধূরূপে গৃহপ্রবেশের আগে এবাহবেই সারা গ্রাম বিজয়-রশ্মিকায় বিয়ের আনন্দে সামিল হলেন৷ 

বিজয় পরেছিলেন হালকা সবুজ রঙের কুর্তা। রশ্মিকা পরেছিলেন সিল্কের শাড়ি৷  ঘন নীল রঙের সঙ্গে তামাটে আভার মিশেল ছিল রশ্মিকার শাড়িতে ৷

বিজয়-রশ্মিকাকে এক ঝলক দেখার জন্য বহু মানুষ তাঁদের বাড়ির বাইরে ভিড় করেন৷ তাঁদের বাড়ির বাইরে নবদম্পতিকে স্বাগত জানানোর জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে৷ বিজয়-রশ্মিকার ভাইবোনেরা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যেরা সকলে এই অনুষ্ঠানে ছিলেন৷ 

সাদা রঙের বাড়িটি আলোকসজ্জায় সজ্জিত। হায়দরাবাদে জুবিলি হিলসের বাড়ি ছাড়াও, বিজয় দেবেরাকোন্ডা থুম্মনপেটে একটি নতুন বাড়ি তৈরি করেছেন।

২৭ ফেব্রুয়ারি বিজয়-রশ্মিকা তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির সাথে দেখা করেন৷ ৪ঠা মার্চ বিজয়-রশ্মিকার প্রীতিভোজের আয়োজন করেছেন৷ বিজয়-রশ্মিকার বিয়েতে খ্যাতনামীদের উপস্থিতির কারণে বাড়ির বাইরে অনুরাগীদের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা৷ সেই কারণে বিজয়-রশ্মিকা অতিথি তালিকা সীমিত করেছেন। সেইসঙ্গে অনুরোধ করেছেন, আমন্ত্রণপত্র ছাড়া কোনও ব্যক্তি যেন অনুষ্ঠানবাড়িতে প্রবেশ না করেন৷ 

অনুরাগীদের সঙ্গে বিয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি পাঠিয়েছিলেন বিজয়-রশ্মিকা৷ বিজয় লিখেছেন, "আমাদের জীবনের এই সুন্দর মুহূর্তের আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই৷ তাই ট্রাক ভর্তি ভালবাসা আর মিষ্টি থাকছে৷" বিজয় একটি ছবি শেয়ার করেছেন সমাজমাধ্যমের পাতায়৷ 'হ্যাশট্যাগ ভিরশ সেলিব্রেশন' লিখে কোন কোন জেলার কোন শহরে মিষ্টি বিতরণ করা হবে সেই তালিকা দিয়েছেন৷ 

তেলঙ্গনার হায়দরাবাদ, করিমনগর, মেহবুবনগর এই তিন শহরে মিষ্টি ভর্তি ট্রাক যাবে৷ উত্তরপ্রেদেশের নয়ডা গাজিয়াবাদ, গুজরাটের আহমেদাবাদ, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, মহারাষ্ট্রের মুম্বই, রাজস্থানের জয়পুর, অন্ধ্রপ্রদেশের ভাইজ্যাগ,  বিজয়ওয়াদাতে মিষ্টি বিতরণ করা হবে৷ এছাড়া কেরালার কোচি, কর্ণাটকের মহীশুর, বেঙ্গালুরু,  তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর, চেন্নাই,  দিল্লি চন্ডীগড় পণ্ডিচেরীতে মিষ্টি পাঠানো হবে৷ বিহারে রেল দুর্ঘটনার জন্য রবিবার ১ মার্চের পরিবর্তে সোমবার ২ মার্চ মিষ্টি বিতরণ করা হবে৷