চাঞ্চল্যকর অভিযোগে সরগরম পাঞ্জাবি বিনোদন জগৎ। অভিনেত্রী ও মডেল হিমাংশি খুরানা অভিযোগ করেছেন, বিদেশে বসে থাকা এক গ্যাংস্টার তাঁকে ইমেলের মাধ্যমে ১০ কোটি টাকা তোলাবাজির হুমকি দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয় মোহালি পুলিশ। অভিনেত্রীর দায়ের করা অভিযোগের পর সোহানা থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী তোলাবাজি ও অপরাধমূলক ভয় দেখানোর ধারায় এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রীর ইমেলে একটি ভয়েস নোট পাঠানো হয়েছিল, যেখানে বিদেশে থাকা এক দুষ্কৃতী নিজেকে পরিচয় দিয়ে ১০ কোটি টাকা দাবি করে। ইমেল ও ভয়েস মেসেজের উৎস খুঁজে বের করতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, এই হুমকির পিছনে যোগ রয়েছে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের! 

হিমাংশি খুরানা পাঞ্জাবি সিনেমা ও মিউজিক জগতের পরিচিত মুখ। ২০১৩ সালের ছবি  'সাড্ডা হক'-এ অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান। পাশাপাশি তিনি জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো বিগ বস-এর ১৩ নম্বর সিজনেও অংশ নিয়েছিলেন।

এই ঘটনার ঠিক এক মাস আগেই একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসে। পাঞ্জাবি গায়ক দিলনূর দাবি করেছিলেন, তাঁকে ফোন করে জনপ্রিয় গায়ক বি প্রাক-কে খুনের  হুমকি দেওয়া হয় এবং সেখানেও দাবি করা হয়েছিল ১০ কোটি টাকা।

পরপর দুই অভিযোগের পর প্রশ্ন উঠছে, পাঞ্জাবি বিনোদন দুনিয়া কি এখন তোলাবাজদের নতুন টার্গেট? তদন্তের অগ্রগতির দিকেই এখন নজর গোটা ইন্ডাস্ট্রির।

 

&t=313s

 

প্রসঙ্গত, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি আর সাম্প্রতিক হামলার আবহে বলিউডে এখন আতঙ্কের পরিবেশ। রোহিত শেট্টির আবাসন ‘শেট্টি টাওয়ার’-এর সামনে দুই বাইক আরোহী এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। আর এই চরম উত্তেজনার মধ্যেই নিজের আগামী ছবি ‘গোলমাল ৫’-এর শুটিং শুরু করতে চলেছেন পরিচালক রোহিত শেট্টি। তবে এবারের শুটিং সেট কোনও সাধারণ সেট নয়, বরং এক প্রকার নিরাপত্তা বলয় হতে চলেছে। খবর, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হিটলিস্টে থাকা বলিউড তারকাদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে রোহিত শেট্টি এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জানা গিয়েছে, শুটিং সেটে নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা হচ্ছে ৬০ জন পেশাদার নিরাপত্তারক্ষীর একটি বিশাল দল। এই ‘ম্যান শিল্ড’-এর মাধ্যমে গোটা শুটিং ইউনিটকে ঘিরে রাখা হবে যাতে কোনওভাবেই বাইরের কেউ সেটের ভিতরে পৌঁছতে না পারে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা হবে দ্বি-স্তরীয়। প্রথম স্তরে থাকবে সশস্ত্র বাউন্সার এবং ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরা, যাঁরা অভিনেতাদের একদম কাছাকাছি থেকে সুরক্ষা দেবেন। আর দ্বিতীয় স্তরে থাকবে একটি বিশেষ নজরদারি দল, যাঁরা শুটিং লোকেশনের চারপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে টহল দেবেন। সন্দেহভাজন কাউকে দেখলেই তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের।