আদিত্য ধরের তুমুল জনপ্রিয় স্পাই-থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে ‘উজাইর বালোচ’-এর চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি লাইমলাইটে চলে এসেছিলেন অভিনেতা দানিশ পান্ডোর। ছবিতে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ওঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দর্শকমনে গভীর দাগ কেটেছিল। তবে এবার জানা গেল এক চমকপ্রদ তথ্য! ‘ধুরন্ধর’ মুক্তি পাওয়ার আগেই দানিশ অন্য একটি বড় প্রজেক্টের জন্য অডিশন দিয়েছিলেন এবং শুটিংও সেরে ফেলেছিলেন, যা অবশেষে চলতি সপ্তাহে রূপোলি পর্দায় আসতে চলেছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দানিশ নিজেই খোলসা করেছেন যে, ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির ঠিক আগে তিনি বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক ইমতিয়াজ আলি-র আসন্ন ছবি ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’-র জন্য অডিশন দিয়েছিলেন। আগামী শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬-এ সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। এই মেগা প্রজেক্টে প্রধান চরিত্রে রয়েছেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ, নাসিরুদ্দিন শাহ, বেদান্ত রায়না এবং শর্বরী ওয়াঘ।
দানিশ পান্ডোর জানান, ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির আগেই ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’র টিম ওঁর অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়ে ওঁকে কাস্ট করেছিল। দানিশের কথায়,
“সবকিছু একদম সঠিক সময়ে সঠিক নিয়মে ঘটেছে এবং তার জন্য আমি সত্যিই অত্যন্ত খুশি। ‘ধুরন্ধর’ রিলিজের আগেই আমি এই ছবির শুটিং শেষ করেছিলাম। ইমতিয়াজ স্যারের ইউনিটে কাজ করাটা আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় এক অভিজ্ঞতা।”
নিজের চরিত্রটি নিয়ে খুব বেশি তথ্য ফাঁস না করলেও দানিশ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ওঁর আগের রাফ-অ্যান্ড-টাফ লুকের থেকে এই চরিত্রটি এক্কেবারে আলাদা। তিনি যোগ করেন, “আমি সবসময় নিজেকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে ভালবাসি। এই ছবিতে আমার চরিত্রটি একটি ক্যামিও হলেও, এর চিত্রনাট্যের ওজন ও গুরুত্ব অনেক বেশি। আর এই কারণেই আমি চরিত্রটি পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে রাজি হয়েছিলাম।”
ইমতিয়াজ আলির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে এক পরম প্রাপ্তি ও অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছেন দানিশ। ওঁর মতে, ইমতিয়াজ অত্যন্ত নম্র, অমায়িক এবং একজন অভিনেতা থেকে ঠিক কী চান, তা ওঁর নখদর্পণে থাকে। অথচ শুটিং সেটে তিনি অভিনেতাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা দেন।
অন্যদিকে, ছবি মুক্তির আগেই ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’ দেখে নিজের মতামত জানিয়েছেন প্রযোজক একতা কাপুর। ছবিটির ভূয়সী প্রশংসা করে একতা জানান, জুন ২০২৬-এ সিনেমা হলে দর্শকদের জন্য কী চমক অপেক্ষা করছে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারছেন না! এটি ভালবাসা ও আবেগে ভরা এমন এক মন ছুঁয়ে যাওয়া সফর, যা সিনেমা শেষ হওয়ার পরও দর্শককে আচ্ছন্ন করে রাখবে।
কাস্টদের প্রশংসা করতে গিয়ে একতা বলেন, দিলজিৎ দোসাঞ্জের সংযত ও নিখুঁত অভিনয় এবং শর্বরীর পারফরম্যান্স এক কথায় অনবদ্য। তবে ছবির আসল ‘সারপ্রাইজ প্যাকেজ’ হলেন তরুণ অভিনেতা বেদং রায়না, যিনি এই ছবিতে ওঁর কেরিয়ারের সেরা ফর্মে রয়েছেন। পাশাপাশি বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহকে বরাবরের মতোই স্ক্রিনে ‘আইকন’ বলেও অভিহিত করেছেন তিনি।
















