আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে বিতর্ক যেন পিছুই ছাড়ছে না বলিপাড়ার। সেনা অভিযানের পোস্টারের স্বত্ব সংরক্ষিত করার জন্য ঝাঁপিয়েছিল রিলায়েন্স-সহ একাধিক সংস্থা। সেই কথা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল সমালোচনা শুরু হয় নেটমাধ্যমে। নেটিজেনদের বক্তব্য ছিল, একদিকে দেশের প্রতিরক্ষার জন্য সীমান্তে লড়াই করছেন সেনারা, অন্যদিকে সেই আবেগকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়িক লাভের চেষ্টা করছেন কিছু ব্যক্তি। তুমুল বিতর্কে শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে আসতে হয় রিলায়েন্সকে। বিবৃতি দেন মুকেশ আম্বানি স্বয়ং। এবার সেই ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে ছবি করতে চেয়ে বিতর্কে জড়ালেন প্রযোজক নিক্কি ভগনানি।

 

তবে ফের বিতর্ক শুরু হতেই পিছিয়ে এসেছেন প্রযোজক। এদিন নিজের ইনস্টাগ্রামে লম্বা বয়ান প্রকাশ করেন তিনি। সেই পোস্টে লেখেন, “সম্প্রতি ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর উপর ভিত্তি করে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাম্প্রতিক বীরত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। আমার উদ্দেশ্য কখনওই কারও অনুভূতিতে আঘাত করা বা উস্কানি দেওয়া ছিল না।

একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে, আমি আমাদের সৈন্য এবং নেতৃত্বের সাহস, ত্যাগ ও শক্তির দ্বারা গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম এবং কেবলমাত্র এই শক্তিশালী কাহিনিকে সকলের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছিলাম।

এই প্রকল্পটি আমাদের দেশের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা থেকে তৈরি, খ্যাতি বা অর্থ উপার্জনের জন্য নয়।

তবে, আমি বুঝতে পারছি যে সময় এবং সংবেদনশীলতার কারণে এই ঘোষণা হয়তো কারও কারও অস্বস্তি বা কষ্টের কারণ হয়েছে। তার জন্য আমি গভীরভাবে দুঃখিত।

এটি শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, এটি সমগ্র জাতির একটি আবেগ এবং বিশ্বব্যাপী দেশের একটি সামাজিক প্রতিচ্ছবি।”

এখানেই শেষ নয়, এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশস্তিও শোনা যায় তাঁর কথায়, “আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি-কে ধন্যবাদ, যাঁরা ‘সবার আগে দেশ’ এই মূলমন্ত্র নিয়ে দিনরাত দেশের জন্য কাজ করে আমাদের গর্বিত করেন।

শহীদদের পরিবারের প্রতি এবং সেইসব সাহসী যোদ্ধাদের প্রতি আমাদের ভালবাসা ও প্রার্থনা সর্বদা থাকবে, যাঁরা সীমান্তে দিনরাত লড়াই করে আমাদের জন্য এক নতুন সকাল নিয়ে আসেন।

জয় হিন্দ! – জয় ভারত!”