তৃনমূল সরকারের সময়ে ব্যান কালচার নিয়ে ছিল একাধিক অভিযোগ৷ পশ্চিমবঙ্গে পালাবদলের পর সরকারি তরফে রুদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারীরা একাধিকবার আশ্বস্ত করেছিলেন কোনও ব্যান কালচার থাকবে না৷ তারপরেও ইদানীং সময় রূপটানশিল্পী সোমনাথ কুণ্ডুকে ব্যান করার অভিযোগ আসছিল৷ এই প্রসঙ্গে বিধায়ক এবং অভিনেতা হিরণ চ্যাটার্জি বলেন, "কোনো শিল্পীকে তো আটকানো হয়নি বা কোনো টেকনিশিয়ানকে তো বলা হয়নি যে তুমি কাজ করবে না। আগের সরকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যেভাবে গ্রুপিজম করেছে, তারা যেভাবে ইনফ্লুয়েন্স করেছে, তারা তো এখনও আছে, তারা এখনও চেষ্টা করছেন৷ আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে যাতে এই ম্যানিপুলেশন বন্ধ করা যায়৷ এটা একটা অনৈতিক কাজ।"
হিরণ আরও বলেন, "একদিনে তো কিছু চেঞ্জ হয়ে যায় না। কোনও অন্যায়, কোনও অসদাচরণ, কোনও পাইয়ে দেওয়া, কোনও কুকর্মকে এবং অসৎ উপায়কে সরকার বরদাস্ত করেনি, করবে না। এটা সরকারের স্পষ্ট বার্তা৷ নন্দনে তো ধরেন আগে সিনেমা রিলিজ করতে গেলে রেফারেন্স লাগত৷ এখন যোগ্যতা দেখা হচ্ছে৷ তারপরেও যদি কোনও অভিনেতা কলাকুশলী সমস্যায় পড়েন আমার নম্বর তো আছেই। মেসেজ করবেন। ফোন করলে অনেক সময় ফোন ধরতে পারি না।"
হিরণ আরও বলেন, "সোমনাথদাকে কেউ আটকায়নি। যে মুহূর্তে সোমনাথ দা আমাকে জানিয়েছিল, সঙ্গে সঙ্গে সোমনাথ দাকে ফোন করে বলেছি কেউ যদি আপনাকে কাজে আটকায় আমাদের সঙ্গে সঙ্গে জানাবেন। সোমনাথ দা আমার সঙ্গে কাজ করেছে 2007 সালে নবাব নন্দিনী সিনেমাতে। বহুদিন ধরে চিনি৷ পরিষ্কার করে আপনাদেরকে বলছি, কেউ যদি ব আমি ব্যান্ড করব, পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাকেই আমরা বার করে দেব।"
"আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তো কোনো চাকরি নয়, মানুষের যোগ্যতার বিচারে এখানে প্রডিউসার ডিরেক্টররা মানুষকে সিলেক্ট করেন। আমাদের পুলিশ আছে, প্রশাসন আছে, আমাদের দপ্তর রয়েছে। কারোর যদি কোনো অসুবিধা তারা আসবেন, আমাদের রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী আছেন, আমাদের রাজ্যে পুলিশ আছে, আইন আছে, শাসন আছে। এবং সেই আইনের শাসন চলছে। যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবেন। "
















