সংবাদ সংস্থা মুম্বই: নিজের দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতীয় ছবির মানচিত্রকে বদলে ফেলার ক্ষেত্রে আমির খানের অবদান অনস্বীকার্য। এই ওটিটি, ডিজিটালের যুগে এবার বড়পর্দার গৌরব ফেরানোর জন্য একটি বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছেন তিনি। খবর, নিজের ছবির স্বত্বর সর্বস্ব নাকি এবার আর ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোকে বিক্রি করবেন না ‘মিঃ পারফেকশনিস্ট’!
সূত্রের খবর, বড়পর্দায় বেশি দিন ধরে নিজের অভিনীত ছবির চমক, চাহিদা ধরে রাখার জন্য চট করে কোনও ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে এবার থেকে নাকি চুক্তিবদ্ধ হবেন না আমির। সেই ছবি মুক্তি পাওয়ার আগে তো কোনও কথাই নেই। যার ফলে দর্শকেরাও আগে থেকে জানতে পেরে নিশ্চিন্ত হবেন না যে প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখা না হলেও আঙুলের টোকায় মুঠোফোনে কোথায় পরে তা দেখা যাবে। এবং ছবি মুক্তি পাওয়ার পরেও নাকি হুড়মুড় করে কোনও জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সেই ছবির স্ট্রিমিং নিয়ে চুক্তিবদ্ধ হতে বেঁকে বসেছেন আমির। সূত্রের খবর, বলি-তারকা এইমুহূর্তে ভাবছেন, মুক্তি পাওয়ার পর নিদেনপক্ষে কম করে ১২ সপ্তাহ অর্থাৎ ৩ মাস শুধুমাত্র প্রেক্ষাগৃহে তাঁর অভিনীত ছবি চলবে। এরপর ওই ছবি নিয়ে দর্শকের আগ্রহ ও প্রতিক্রিয়া দেখে তারপর ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে দরদাম কষবেন আমির!
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বলি-ট্রেড অ্যানালিস্টের মতে, “এরকম চিন্তাভাবনা স্রেফ আমির খানের পক্ষেই ভাবা সম্ভব। যদি সত্যিই এমন হয় তাহলে বড়সড় পরিবর্তন আসবে হিন্দি ছবির বাজারে। প্রাক ওটিটি যুগে যেমন প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের উপচে পড়া ভিড় দেখা যেত, সেই দৃশ্য হয়ত আমিরের এই পদক্ষেপ নেওয়ার পর ফের একবার দেখা যেতে পারে”।
তবে ‘সিতারে জমিন পর’ ছবি থেকেই এই নিয়ম লাগু করতে চলেছেন কি না আমির, সেকথা অবশ্য এখনও জানা নেই। চলতি বছরের ২০ ডিসেম্বর বড়পর্দায় এই ছবির মুক্তি পাওয়ার কথা। আমিরের পাশাপাশি এই ছবিতে দেখা যাবে জেনেলিয়া দেশমুখ এবং দর্শিল সাফারিকে।
















