মিল্টন সেন: সম্প্রতি নাম বাদ গেছে ভোটার তালিকা থেকে। আসন্ন নির্বাচনে তিনি আবারও প্রিসাইডিং অফিসার। অথচ বর্তমানে ভোটার তালিকায় তাঁর বৈধতাই প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। তাহলে কীভাবে তিনি বৈধ ভোটারদের ভোট গ্রহণ করবেন? আজব এসআইআর! দীর্ঘ সময় প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে কাজ করেছেন গুড়াপ মাজিনানের বাসিন্দা শিক্ষক সেখ জাহাঙ্গীর কবি মন্ডল। টানা ২০০৬ সাল থেকে ২০২৪ একভাবে সমস্ত নির্বাচনে কাজ করেছেন। ২০২৬ এর নির্বাচনেও প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে কাজ করার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তাও আবার দু'দুবার।
খসড়া তালিকায় দেখা যাচ্ছে সেই সেখ জাহাঙ্গীর কবি মন্ডলের নাম বাদ গেছে এসআইআর এর তালিকা থেকে। প্রশ্ন উঠেছে এবারে কী করে তিনি বৈধ ভোটারদের ভোট নেবেন। কারণ তিনি নিজেই যখন বর্তমানে একজন অবৈধ ভোটার। ধনেখালি সোমসপুর স্কুলের ইংরেজি শিক্ষক সেখ জাহাঙ্গীর কবি মন্ডল। তাঁর বাড়ি গুড়াপ থানার অন্তর্গত মাজিনান এলাকায়। তার তিন ভাই এর নাম রয়েছে তালিকায়। বাদ গেছে শুধু তার নাম টাই। তালিকা দেখার পর হতবাক জাহাঙ্গীর বাবু।
বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়েছেন, গত ২৭ মার্চ সাপ্লিমেন্টরী লিস্ট বেরোনোর পর তিনি জানতে পারেন, তাঁর নাম তালিকা থেকে ডিলিট হয়ে গেছে। স্বাভাবিক কারণেই অবাক জাহাঙ্গীর বাবুর। প্রত্যেক নির্বাচনে ডিউটি পরে। প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে এবারেও কাজ করবেন। সব ঠিক হয়ে রয়েছে। তাই দুবার প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। এদিন তিনি ট্রাইবুনালে আবেদন করতে চুঁচুড়ায় আসেন।
আবেদন পর্ব সেরে শিক্ষক বলেছেন, তাঁর বাবার ১৯৫২ সালের নথি তাঁর কাছে রয়েছে। এছাড়াও তাঁর যাবতীয় নথি তিনি জমা দিয়েছেন। তারপরও তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। তাঁর তিন ভাইয়ের নাম তালিকায় থাকলেও তাঁর নাম এডজুডিকেশনে চলে যায়। তারপরে জানতে পারেন নাম ডিলিট হয়ে গেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট করে কিছু বলছে না। পরিষ্কার করে বলছে না, কোন নথির জন্য তাঁর নাম বাদ গেল। তাহলে তিনি সেই নথি দিয়ে দিতে পারতেন। এদিকে তাঁর আবার ভোটের ডিউটি করার চিঠিও এসেছে। প্রশিক্ষণও সম্পন্ন হয়ে গেছে। এখন তিনি নিজেই অবৈধ ভোটার। তাহলে বৈধ ভোটারদের ভোট তিনি নিতে পারবেন তো?















