আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটের মাত্র কয়েকঘন্টা আগে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। এই বিধানসভা এলাকার ভেকুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কাণ্ডপ্রশরা বুথে মঙ্গলবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে তৃণমূল। পাল্টা বিজেপির তরফেও তাদের দলের ব্যানার এবং পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগ করেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
এর পাশাপাশি তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে বিজেপি কর্মীরা তাদের কর্মীর বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। ভোটের মাত্র কয়েকঘন্টা আগে দু'পক্ষের মধ্যে হওয়া এই গোলমালের জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে।
যদিও সমস্ত অভিযোগই বিজেপির তরফে অস্বীকার করা হয়েছে। পাল্টা তাদের দাবি, মঙ্গলবার রাতে তাদের সমস্ত দলীয় পতাকা ও ব্যানার ছিঁড়ে দিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা। দুই শিবিরের মধ্যে চলা এই উত্তেজনার খবর পেয়ে রাতেই এলাকায় পৌঁছে যায় পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী। বাহিনীর হস্তক্ষেপে আপাতত পরিস্থিতি শান্ত আছে বলেই জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের অন্যতম 'হটসিট' নন্দীগ্রামের এক নম্বর ব্লকের জেলে মারা ৩৭ নম্বর বুথ এলাকায় ভোট প্রচার চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মুখোমুখি সংঘর্ষের জেরে ঝরল রক্ত।
বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে। ঘটনায় গেরুয়া শিবিরের পাঁচজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছেছে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে আধা সামরিক বাহিনী ও পুলিশ কর্মীদের।
এই ঘটনার পর স্থানীয় বিজেপি নেতা মেঘনাথ পাল বলেন, “এই সমস্ত দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার না করলে কোনওভাবেই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেও পরিস্থিতি বদলাবে না।”
পাল্টা বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল নেতা সুজিত রায় বলেন, “খবর পেয়েছি বিজেপির লোকজন আমাদের এক কর্মীর নাবালিকা মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। বিষয়টি নজরে রাখছি।” ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।















