আজকাল ওয়েবডেস্ক: নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কেমন হচ্ছে তা দেখতে বেরিয়ে 'আক্রান্ত' হলেন নওদা বিধানসভা কেন্দ্রের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী তথা দলের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। 

 

ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এবছর নিজের নতুন রাজনৈতিক দল, আম জনতা উন্নয়ন পার্টি তৈরি করে নিজে মুর্শিদাবাদের নওদা এবং রেজিনগর বিধানসভা এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

 

বৃহস্পতিবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে হুমায়ুন কবীর সোমপাড়া গ্রামে সপরিবারে ভোট দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদেরকে নিয়ে সোজা নওদা বিধানসভা এলাকায় পৌঁছে যান, সেখানে কেমন ভোট হচ্ছে তা দেখার জন্য। অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবীর যখন নওদা বিধানসভা এলাকার ১৭৩ এবং ১৭৪ নম্বর বুথের কাছাকাছি পৌঁছন, সেই সময় নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সফিউজ্জামান শেখের নেতৃত্বে প্রচুর তৃণমূল কর্মী সমর্থক হুমায়ুনকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। 

 

তাঁকে মারধর করারও চেষ্টা করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সামনে। সেই সময় তৃণমূল কর্মী সমর্থক এবং হুমায়ুনের দলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তি বেঁধে যায়। নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রতীকে লড়ছেন শাহিনা মমতাজ খান। 

 

অভিযোগ উঠেছে, আজ ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে নওদা বিধানসভার ১৭৩ এবং ১৭৪ নম্বর বুথে হুমায়ুন কবীরের দলের এজেন্টকে বার করে দেওয়া হয়। এই খবর পেয়ে হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর চেষ্টা করছিলেন। সেই সময় তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা। 

 

সফিউজ্জামান অভিযোগ করেন, "হুমায়ুন কবীরের দলের লোকেরা বুথে ঢুকে রিগিং করার চেষ্টা করেছে। সেই কারণেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে।" 

এই বিক্ষোভের পর হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান এবং এলাকায় মোতায়েন থাকা পুলিশ কর্মীরা কোনওক্রমে হুমায়ুন কবীরকে নিরাপদে ওই এলাকা থেকে বার করে দেন। 

 

'হামলার' ঘটনার পর ওই এলাকা থেকে কিছুটা দূরে গিয়ে হুমায়ুন কবীর রাজ্য সড়কের উপর বসে পথ অবরোধ শুরু করেছেন। হুমায়ুন অভিযোগ করেন, "এখানে পুলিশ তৃণমূলের হয়ে দালালি করছে। আমাদের উপর হামলা হচ্ছে আর আমাদেরকেই সরিয়ে দিচ্ছে। যতক্ষণ না আমি বিচার পাব, নওদা ছেড়ে যাব না।"