আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ খেলার মাঠ থেকে একেবারে রাজনীতির ময়দানে। যদিও প্রাক্তন ফুটবলার বিদেশ বসু এর আগেও ভোটে লড়েছেন। তৃণমূলের টিকিটে উলুবেড়িয়া থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন। এবার হুগলির সপ্তগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিটে লড়বেন বিদেশ। 


আজকাল ডট ইনের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল বিদেশ বসুর সঙ্গে। যিনি ফোনেই জানালেন, ‘‌দিদি বিশ্বাস রেখেছেন। এই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখার চেষ্টা করব।’‌ এরপরেই যোগ করলেন, ‘‌তৃণমূল এই রাজ্যে প্রচুর উন্নয়ন করেছে। ৯৬টি প্রকল্প রয়েছে। আর কী চাই। মমতা ব্যানার্জির মতো জননেত্রী গোটা বিশ্বে আর আছে কিনা সন্দেহ।’‌


বিদেশ আরও বলেছেন, ‘‌ফুটবলের লোক তো। আমার চেষ্টাও থাকবে সপ্তগ্রাম থেকে ফুটবলার তুলে আনার। চেষ্টা করব সেখানকার মানুষের পাশে থাকার। দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা থাকবে।’‌


ফুটবলার বিদেশ বসু অবসর নেওয়ার পর এসেছিলেন মোহনবাগান ক্লাব প্রশাসনে। সেখানেও সফলভাবে দায়িত্ব সামলেছেন। তারপর চলে আসেন ভোটের লড়াইয়ে। লড়াকু বিদেশের উপর ফের আস্থা রাখলেন মমতা।

মঙ্গলবারই বিধানসভা ভোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বিদেশ ছাড়াও ক্রীড়াবিদদের মধ্যে ভোটের লড়াইয়ে আছেন অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন ও বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবসঙ্কর পাল। শিবশঙ্কর পাল মঙ্গলবারই যোগ দেন তৃণমূলে। আর বিকেলেই হয়ে গেলেন প্রার্থী।  

তৃণমূলে যোগ দিয়ে প্রাক্তন বঙ্গ ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল বলেছিলেন, ‘‌আমি শুধু দুটো কথা বলতে চাই। আমি সারাজীবন বাংলার হয়ে মাঠে নেমেছি, খেলেছি। এখন যখন বাংলা ও বাঙালিকে আক্রমণ করা হচ্ছে, এই পরিস্থিতিতে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে লড়াইয়ে নামতে চাই। আমি মাঠের মানুষ, খেলা হবে।’‌ এর আগে বাংলা দলের একাধিক ক্রিকেটারকে রাজনীতির ময়দানে দেখা গিয়েছে। লক্ষ্মীরতন শুক্লা তৃণমূলের হয়ে নির্বাচনে লড়েছেন। প্রাক্তন বঙ্গ অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি বর্তমানে রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এবার শিবশঙ্করও চলে এলেন তৃণমূলে। হলেন প্রার্থীও।