আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবার ভবানীপুরের প্রচারে বিড়ম্বনা বাড়ল শুভেন্দু অধিকারীর। প্রচারের মাঝেই হাইপ্রোফাইল বিজেপি প্রার্থীকে শুনতে হল 'জয় বাংলা' স্লোগান!

ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রেও বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ওই কেন্দ্রের জন্য মনোনয়ন পেশ করবেন তিনি। তার আগে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ভবানীপুরে এ দিন প্রচার করেন শুভেন্দু। ভবানীপুর বিধানসভার অন্তর্গত  গোপালনগর মোড় থেকে ৭৪ ও ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার সারেন তিনি। 

এই কেন্দ্রে এবারও তৃণমূল প্রার্থী মমতা ব্যানার্জি। গত রবিবারই কর্মীসভা করেছেন তিনি। জোড়া-ফুলের প্রচার চলছে জোরকদমে। নেতৃত্বে রয়েছেন খোদ কলকাতার মহানাগরিক। মমতার বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। ফলে ভবানীপুরে এবার লড়াই বেশ জমকালো। এ দিনের প্রচারে বাড়ি বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর চিঠি পৌঁছে দেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুর থেকে নির্বাচনে জয়লাভ করলে এলাকার উন্নয়নের পরিকল্পনা সম্বলিত একটি লিফলেটও বিলি করেন তিনি।

বাড়ি বাড়ি ও দোকানে জনসংযোগের মাঝেই হঠাৎ শুভেন্দু অধিকারীকে দেখে ভবানীপুর বিধানসভার আওতায় থাকা চেতলার বেশ কয়েকজন ভোটার 'জয় বাংলা' স্লোগান দেন। পাল্টা ওঠে 'জয় শ্রীরাম' ধ্বনিও। তবে, বিরুদ্ধ স্লোগানে তেমন কর্ণপাত করেননি বিজেপি প্রার্থী। ফলে পরিস্থিতিও জটিল হয়নি।

উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারীর ভবানীপুরে প্রার্থী হওয়াকে 'ঘরের মাঠে' মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানানো বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ভবানীপুরে ২০২১-এর উপনির্বাচনে ফলাফল:
উপনির্বাচনে মমতা ব্যানার্জি ৫৮ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী তৃণমূলনেত্রী। ২০২১-এর ভোটে ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চ্যাটার্জির দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে জয় পান মমতা ব্যানার্জি। শোভনদেব বাবু জিতেছিলেন ২৮ হাজার ৯১৭ ভোটে। ভবানীপুরের বিধানসভার অন্তর্গত সাতটি ওয়ার্ডেই জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

২০১১-র উপনির্বাচনে মমতার জয়ের ব্যবধান ছিল ৫৪ হাজার ২১৩।