আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই ভবানীপুর নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন সেখানকার বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজের বুথেই প্রায় ২০০ ভোটে হারবেন।
বিরোধী দলনেতার দাবি, ভবানীপুর বিধানসভায় তিনি প্রায় ৩০ হাজার ভোটে জয়ী হবেন। শুভেন্দুর দাবি, ফলতা ও ডায়মন্ড হারবার ছাড়া অন্য কোথাও শাসকদল ছাপ্পা দিতে পারেনি।
ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তিনি নাকি বহু তৃণমূল সমর্থকের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন। তাঁর কথায়, বহু ভোটার জানিয়েছেন, তাঁরা পদ্মফুলে ভোট দিয়েছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, হিন্দু ভোটাররা ব্যাপক হারে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাঙালি, অবাঙালি, গুজরাটি, মারোয়াড়ি, শিখ ভোটারদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।
পাশাপাশি, কিছু মুসলিম ভোটারও ব্যক্তিগতভাবে বিজেপির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলে দাবি বিরোধী দলনেতার। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছেন বলেও জানান ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী।
তাঁর দাবি, এমন বহু পরিবার রয়েছে যাঁরা আগে কখনও ভোট দিতেন না, তারাও এবার ভোট দিতে বেরিয়েছেন। শাসকদলকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, পরিবর্তনের পক্ষে ভোট পড়েছে এবং এই ফল বাংলার রাজনীতিতে বড় বার্তা দেবে।
তাঁর বক্তব্য, এবার মমতা ব্যানার্জি পরাজিত হবেন এবং এরপর তাঁকে ‘রাজনৈতিক বানপ্রস্থে’ যেতে হবে। একইসঙ্গে ভোট প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন থানার পুলিশ আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
উল্লেখ্য, এদিন ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। তবে ভোট দিতে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।
সেখান থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে।
এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আক্রমণ করে বলেন, 'লজ্জা করেনা! কী মার মেরেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রচণ্ড অত্যাচার চালিয়েছে। আমার কাছে রাজ্যের সব জায়গা থেকে খবর এসেছে।'
তিনি অভিযোগ করেন, 'শিশুদেরও ছাড়েনি, ওদের গায়েও হাত তোলা হয়েছে, মেয়েদের মেরেছে। বিজেপি ভেবেছে এসব করে জিতবে। তৃণমূলই জিতছে, বিজেপি হারছে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে তৃণমূল।















