আজকাল ওয়েবডেস্ক: দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে আরও ১১ জন পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হল।
তাঁদের প্রত্যেককেই ভিনরাজ্য থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে রাজ্য পুলিশের হাতেই। ১১ জনের মধ্যে তিনজনকে পোস্টিং করা হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।
প্রথম দফার ভোট মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ হলেও কিছু বিধানসভায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। দ্বিতীয় দফার ভোটে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সেটুকু খামতিও রাখতে চাইছে না কমিশন। সে কারণে আরও আঁটোসাঁটো করা হচ্ছে নিরাপত্তা।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার আগে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থতার অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিল কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হতে পারে পাঁচজন পুলিশ আধিকারিককে। তালিকায় রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াই, এসডিপিও সজল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি মৌসুম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ এবং উস্থি থানার ওসি শুভেচ্ছা বাগ।
অভিযোগ, দায়িত্ব পালনের সময় তাঁরা নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়াও, ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপার ঈশানী পালের বিরুদ্ধেও ওয়ার্নিং জারি করা হয়েছে কমিশনের নির্দেশিকায়।
অধস্তন আধিকারিকদের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠিয়েছে কমিশন।
অর্থাৎ, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোট চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশন এবার অত্যন্ত কড়া অবস্থান নিয়েছে।
সামান্য অভিযোগকেও গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে এর মাঝে ডায়মন্ডহারবারের এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।















