আজকাল ওয়েবডেস্ক: কল্যাণীতে তিন জেলা পর্যালোচনায় বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই বৈঠকেই বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার হাজির হতেই, জল্পনা শুরু হয় দল বদলের। যদিও তৃণমূল সাংসদ সাফ জানিয়েছেন, তাঁর বৈঠকে হাজির হওয়ার সঙ্গে কোনও দলীয় যোগ নেই, স্রেফ প্রশাসনিক কারণেই তাঁর  উপস্থিতি।

তবে কেবল তৃণমূল সাংসদ নন, একে একে শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে উপস্থিত হচ্ছেন তৃণমূলের বিধায়কেরা। প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য, স্বরূপ্নগর, দেগঙ্গা এবং হাড়োয়ার বিধায়ক উপস্থিত হয়েছেন কল্যাণীর বৈঠকে। মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে হাজির হয়েছেন, স্বরূপনগরের তৃণমূল বিধায়ক বীনা মণ্ডল, দেগঙ্গার তৃণমূল বিধায়ক আনিসুর রহমান,হাড়োয়ার তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল মাতিন।

 

এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বঙ্গে বিজেপি সরকার গড়েই সাফ বার্তা দিয়েছিল, এই সরকার একযোগে, সব দলের বিধায়কদের সঙ্গে নিয়েই প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। মঙ্গলবার নদিয়া, হুগলি এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার পর্যালোচনা করতে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর। তাতে হুগলি কিংবা নদিয়ার কোনও তৃণমূল বিধায়ক হাজির না হলেও, উত্তর চব্বিশ পরগনার তিন বিধায়ক উপস্থিত হয়েছেন। 

 

প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়কদের ডাক নিয়ে বিজেপি বিধায়ক, মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, 'এটা বিজেপি সরকারের সদর্থক দিক। ১৫ বছরে বিরোধীদের কোনও প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকা হয়নি। এখন প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়কদের ডাকা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, বিধায়কদের মাধ্যমেই কাজ করতে হবে। আজ দকেহুন, নানা জায়গায় কাউন্সিলর পদত্যাগ করছেন, চেয়ারম্যান চলে যাচ্ছেন, আমাদের বিধায়কদের মাধ্যমেই তো কাজ করতে হবে।'