মিল্টন সেন,হুগলি: ভদ্রেশ্বরের পর এবার চন্দননগর। কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ বহাল রইল। এবার পদত্যাগ করলেন চন্দননগর পুর নিগমের ৬ তৃণমূল কাউন্সিলর। বাকি কাউন্সিলররা কী করবেন, উঠেছে প্রশ্ন। তবে একই পথে হাঁটার ইঙ্গিত মিলেছে।
বৃহস্পতিবার ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান-সহ আরও তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করেছিলেন। শুক্রবার চন্দননগর কর্পোরেশনের ছ’জন তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করলেন। যাদের মধ্যে রয়েছেন আগেই পদ ছেড়ে দেওয়া ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়ালও। বৃহস্পতিবার অনেক রাত পর্যন্ত চন্দননগর রবীন্দ্র ভবনে তৃণমূল কাউন্সিলররা বৈঠক করেন। ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যাঁদের সম্পর্ক ছিল অম্লমধুর সেই কাউন্সিলররা বৈঠকে বসেন। যাঁদের মধ্যে ছিলেন মেয়র রাম চক্রবর্তীও। এদিনের বোর্ড মিটিং বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যাঁরা থাকতেন সেই ছয় কাউন্সিলর চন্দননগর কর্পোরেশনের কমিশনারকে ইমেল মারফত তাঁদের পদত্যাগ পাঠিয়ে দেন বলে খবর। চন্দননগর বিধানসভার মধ্যে রয়েছে চন্দননগর কর্পোরেশন, যার ৩৩টি ওয়ার্ড। যার মধ্যে দু’টি ওয়ার্ড সিপিএমের।বাকি ৩১টি তৃণমূলের ছিল। ভদ্রেশ্বর পুরসভার ২২টি ওয়ার্ডই ছিল তৃণমূলের দখলে। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন পরাজিত হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে তৃণমূল।
কাউন্সিলর পদ ছেড়ে দিতে চাইছেন অনেকেই। বৃহস্পতিবার রাতে এ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে তৃণমূল কাউন্সিলরদের মধ্যে। এদিন মেয়র রাম চক্রবর্তী জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী যে বোর্ড মিটিং হত তা বাতিল করা হয়েছে। পদত্যাগের বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত সেটা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
তৃণমূলের কাউন্সিলর পার্থ দত্ত বলেন, “একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাই সবাই মিলে আলোচনা হয়েছ।” এই প্রসঙ্গে চন্দননগরের বিজেপি বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ বলেন, “যাঁরা তৃণমূলের হয়ে এতদিন কাজ করেছে তাঁরা এখন ভাবতে শুরু করেছে এই দলটা আর করা যায় না। সব রত্নাকর বাল্মীকে হয়তো হয় না, কিন্তু বাল্মিকী হওয়ার চেষ্টা করে।”















