আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফারাক্কায় এসআইআর-এর কাজ থেকে ইস্তফা দিলেন নয় জন মাইক্রো অবজার্ভার। এর ফলে ফারাক্কায় ব্যাহত হচ্ছে এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া। বিডিও জানিয়েছেন মাইক্রো অবজার্ভার না এলে কোনও ভাবেই শুরু করা যাবে না শুনানির কাজ। ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে ভোটারদের। বুধবার ইস্তফা দিয়েছিলেন বিএলও-রা। আজ দিলেন মাইক্রো অবজার্ভাররা।
নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জোর করে বিএলও-দের দিয়ে একাধিক ‘অনৈতিক’ এবং ‘নিয়ম বহির্ভূত’ কাজ করানো হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে বুধবার মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা বিডিও অফিসে গিয়ে গণ ইস্তফাপত্র জমা দেন ওই ব্লকে কর্মরত প্রায় দু’শোর বেশি বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)। ফারাক্কা ব্লকে একসঙ্গে সমস্ত বিএলও-র গণ ইস্তফা দেওয়ার ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় গোটা জেলা জুড়ে। তবে জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিএলও-দের কাজ করতে না চেয়ে দেওয়া গণ ইস্তফাপত্র এখনও পর্যন্ত গৃহীত হয়নি। তাই সমস্ত বিএলও-কেই তাঁদের নির্দিষ্ট কাজ করে যেতে হবে।
এসআইআর-এর শুনানিতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক হয়রানির অভিযোগ তুলে বুধবার দুপুরে ফারাক্কা বিডিও অফিসে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে। হটাৎই কিছু উত্তেজিত জনতা বিডিও অফিসে ঢুকে পড়েন। এরপর তাঁরা বিডিও-র চেম্বারে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। ভেঙে দেওয়া হয় তাঁর ঘরের বেশ কিছু চেয়ার এবং কাঁচের টেবিল। পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয় বিডিও-র চেম্বারে রাখা অন্য বেশ কিছু জিনিস। উল্টে ফেলা হয় গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি। বিডিও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনায় কমিশনের নির্দেশে এফআইআর করা হয়। ভাঙচুরে ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে।
এই ইস্তফা দেওয়ার বিষয় নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন, যারা কাজ থেকে অব্যাহতি নিতে চাইবেন তাঁদের চাকরিও ছেড়ে দিতে হবে। না হলে মনগড়া ইচ্ছে মতো অব্যাহতি নেওয়া যাবে না। চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়ে নিন, তাহলে বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া থেকে অব্যাহতি পেয়ে যাবেন।”
