আজকাল ওয়েবডেস্ক:
রাজ্যে এসআইআর আবহে ফোন করে ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার জন্য টাকা চাইছে বিএলও৷ এমনই অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগণার বাগদা ব্লকের বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের এক বিএলওর বিরুদ্ধে৷
বিএলও-র সঙ্গে এই বিষয়ে কথোপকথনের 'ভয়েস রেকর্ড' ছড়িয়ে পড়েছে৷ যদিও সেই ভয়েস রেকর্ড যাচাই করেনি আজকাল ডট ইন। বাগদার প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর মেইল করে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক ও বিডিওর কাছে বিএলওর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন৷
জানা গিয়েছে চন্দ্রকান্ত মন্ডল নামে ওই বিএলও-র বাড়ি বাগদা বিধানসভার বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের নপারা ১২০ নম্বর বুথে৷ পেশায় তিনি বয়রা ঝাউখালি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক।
যে ভয়েস রেকর্ডটি ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে শোনা যাচ্ছে বয়রা-নপাড়ার একশো কুড়ি নম্বর বুথের ইসমাইল মন্ডলের পরিবারের ৬ সদস্যদের ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার জন্য দশ হাজার টাকা প্রত্যেক ভোটার পিছু চাওয়া হচ্ছে।
বিডিও এবং এসআইআর-এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আধিকারিকদের নাম করে টাকা চাওয়া হয়েছে। দাবি অনুযায়ী টাকার পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা। টাকা দিলে নাম তুলে দেওয়া হবে বলে বিএলও জানাচ্ছেন৷
বিজেপির অভিযোগ, এভাবেই টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশের বাসিন্দাদের ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়া হচ্ছে। কারণ, ইসমাইল একজন বাংলাদেশী৷ ২০০২ সালের তালিকায় তাদের নাম নেই৷
শুনানিতে ডাকা হয়েছিল ৷ তার পরিবারের লোকজন বেশিদিন হয়নি বাংলাদেশ থেকে এসেছে৷ তৃণমূলের সহযোগিতায় এগুলো হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির।
যদিও ইসমাইল তরফদার নিজে এ বিষয়ে কোন কথা বলেননি৷ বিএলও চন্দ্রকান্ত মন্ডল-এর বাবা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, 'ছেলেকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে৷'
এই বিষয়ে বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তরুণ ঘোষ বলেন, 'যদি কেউ অন্যায় করে থাকে অবশ্যই তদন্ত করে তার বিচার হবে৷ আমাদের সরকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না ৷ এই এলাকায় বিজেপির কোনও অস্তিত্ব নেই। তৃণমূলের নাম জড়িয়ে বাজার গরম করার চেষ্টা করছে৷'
