আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসের ছন্নছাড়া অবস্থা। বিধানসভায় মমতা ব্যানার্জির নির্দেশ উড়িয়ে তৃণমূলের সিংহভাগ বিধায়কের সম্মতিতে বিরোধী দলনেতার পদে বসেছেন ঋতব্রত ব্যানার্জি। এই পরিস্থিতিতে প্রথমবার দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতেই দলের দুই কাণ্ডারীর এই দিল্লি সফর বলে জানা গিয়েছে।
আগামী ৮ জুন দিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠক হতে চলেছে বলে খবর। সূত্র জানাচ্ছে, তার এক-দু’দিন আগেই মমতা ও অভিষেক দিল্লি রওনা হতে পারেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার পর মমতা অভিযোগ করেছিলেন, বিজেপি ভোট লুট করেছে। কীভাবে সন্ত্রাস চালিয়েছে গেরুয়া শিবির, তার কিছু তথ্যও হাজির করেন তৃণমূল নেত্রী। সেই সময় বিজেপির সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মমতার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে দেশের বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রথম সারির নেতারা।
কয়েকদিন আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর যখন সোনারপুরে আক্রমণ হয়, তখনও বিজেপির সমালোচনায় সরব হন সোনিয়া পুত্র রাহুল, কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদবরা। পাশে থাকার জন্য প্রত্যেককে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অভিষেক। এরপর মমতা জানান, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে তিনি দিল্লি যাবেন।
জানা গিয়েছে, নিট কেলেঙ্কারি, বিজেপির সন্ত্রাস সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে ৮ তারিখের বৈঠকে। বাংলায় বিজেপি কীভাবে ভোটে ষড়যন্ত্র করেছে, তা দেশের রাজধানীর বুকে তুলে ধরতে পারেন মমতা-অভিষেক। তাছাড়া, ভোট পরবর্তী বাংলায় যেসব ঘটনা ঘটছে, সেসব নিয়েও তাঁরা দিল্লিতে সরব হবেন বলে আপাতত জানা যাচ্ছে। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেস কোন পথে তাদের লড়াই-আন্দোলন চালিয়ে যাবে, তার দিগনির্দেশও মিলতে পাবে মমতা-অভিষেকের এই দিল্লি সফর থেকে।















