আজকাল ওয়েবডেস্ক: কুন্তীঘাটের কেশরাম রেওন কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ। গাড়ি আটকে শ্রমিকদের বিক্ষোভ কারখানার গেটে। অভিযোগ,কারখানার শ্রমিকদের কাজ না দিয়ে বাইরে থেকে ঠিকাদার মারফত লোক নিয়ে এসে কাজ করানো হচ্ছে। অথচ কারখানা শ্রমিকরা কাজ পাচ্ছেন না।
আরও অভিযোগ যে, যেটুকু কাজ করছেন তারও পারিশ্রমিক দিতে টালবাহানা করছে কারখানা কর্তপক্ষ। এর প্রতিবাদ করায় পাঁচজন শ্রমিককে বসিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। এরই প্রতিবাদে শনিবার কারখানা গেটে জড়ো হন শ্রমিকরা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাঁদের সঙ্গে কারখানা কর্তৃপক্ষকে নতুন করে চুক্তি করতে হবে। সরকার নির্ধারিত মজুরি দিতে হবে। মাসে পর্যাপ্ত কাজ দিতে হবে শ্রমিকদের।
বলাগড় বিধানসভা এলাকার মধ্যে থাকা এই কারখানায় সমস্যা দীর্ঘদিনের। পারিশ্রমিক নিয়ে অসন্তোষ, নিয়োগ ও অবসর নিয়ে স্বজনপোষনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। মাঝে মাঝেই শ্রমিক বিক্ষোভ হয় কারখানায়। ২০২১ সালেও একই ঘটনা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সেবার ছ'মাস বন্ধ থাকার পর খুলেছিল হুগলির কুন্তিঘাটের কেশোরাম রেয়ন কারখানা। তখন শ্রমিকদের অবসরের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তাতে সায় দেয় কারখানার পাঁচটি শ্রমিক সংগঠনও।
সেই সময় শ্রমিকদের স্বেচ্ছাবসরের বয়স ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫৩ করা হয়। স্বেচ্ছাবসরের সর্বোচ্চ বয়স ৫৭। কোনও শ্রমিক ৫৩ বছর বয়সে অবসর নিলে পাবেন ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। রয়েছে কাউকে ‘নমিনি’ করার সুযোগও। অর্থাৎ ওই শ্রমিক মনে করলে নিজের বদলি হিসাবে কাউকে কারখানায় কাজ করার দায়িত্ব দিতে পারেন। সর্বোচ্চ বয়সের পর কোনও শ্রমিক পাবেন ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। তবে এ ক্ষেত্রে কোনও শ্রমিককে ‘নমিনি’ করা হবে না। ৫৩ বছরের নীচে কোনও শ্রমিক অবসর নিতে চাইলে তাঁকে ৭ লাখ টাকা এবং ‘নমিনি’ দেওয়া হয়।















