আজকাল ওয়েবডেস্ক: আসল তৃণমূল কে? কার হাতে থাকবে দলের নাম-প্রতীক-তহবিল। কমিশন দু'পক্ষের কাছেই নথি চেয়েছিল। প্রথমে ডেডলাইন দেওয়া হয় ৬ জুলাই। বিকেল। টিম কালীঘাট নথি জমা দিলেও, অতিরিক্ত সময় চায় ঋতব্রত শিবির। প্রথম ডেডলাইনের মধ্যেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষ গিয়ে নথি জমা দেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের বক্তব্যও জানান। অভিযোগ, ১০ জুলাইয়ের মধ্যে নথি জমা দেওয়ার ডেডলাইনও টিম ঋতব্রত নাকি পেরিয়ে গিয়েছে।
এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কড়া বার্তা মহুয়া-সাগরিকার। ঋতব্রত শিবিরকে অতিরিক্ত সময় দিয়ে, বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। অন্যদিকে সাফ জানালেন, এবার আসরে সরাসরি মমতা ব্যানার্জি। মহুয়া মৈত্র জানান, ৬ তারিখের ডেডলাইনের পরেও, ঋতব্রত শিবির, ১০ তারিখ পর্যন্ত সময় চেয়েছিল। এখন সেই সময়ও পেরিয়ে গিয়েছে। মহুয়ার প্রশ্ন, কেন তাদের অতিরিক্তি সময় দেওয়া হচ্ছে?
ঘটনার প্রেক্ষিতে মমতা ব্যানার্জি কমিশনকে চিঠি লিখেছেন রবিবারেই। সেই প্রসঙ্গেই সাংসদ, চিঠিতে মমতা কমিশনকে জানিয়েছেন তাঁদের পক্ষ থেকে অর্থাৎ কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে, সেটিকেই মান্যতা দেওয়া উচিৎ, ঋতব্রত শিবিরকে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার পরিবর্তে। মহুয়া জানান, 'মমতা ব্যানার্জি একটি লিখিতভাবে চিঠি লিখেছেন, জানিয়েছেন আপনারা নিরপেক্ষ সাংবিধানিক বডি, আপনাদের দেওয়া সময়সীমা মেনে আমরা তথ্য দিয়েছি। অতিরিক্ত সময় পেয়েও বিপরীত পক্ষ থেকে উত্তর আসেনি। এখন কেবল অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমরা যে জবাব, নথি দিয়েছি, তার ভিত্তিতেই যেন নির্বাচন কমিশন যেন তাদের তদন্ত সম্পূর্ণ করেন।'
এদিন কমিশনকেও কটাক্ষ করেছেন মহুয়া। ঋতব্রত শিবিরকে নিশানা করে বলেন, '২জুলাই তারা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আবেদন জানায়। নির্বাচন কমিশন কোনওদিন এত তৎপরতার সঙ্গে কাজ করে না। কিন্তু এবার তারা নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার কয়েকঘণ্টা পরেই কমিশন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসকে চিঠি লেখে।' সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবির নথি জমা দেওয়ার জন্য, আরও বেশকিছুদিন অতিরিক্ত সময় চেয়েছে।
মহুয়াদের বক্তব্য সমানে আসতেই আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করে ঋতব্রত শিবিরের মুখপাত্র সন্দীপন সাহার সঙ্গে। সন্দীপন আবার প্রসঙ্গ তুলছেন আলিপুর আদালতের নির্দেশের। বিধায়কের বক্তব্য, 'অতিরিক্ত সময় নিয়ে বলার ওঁরা কারা। একমাত্র ইসিআই-এর কাছে অধিকার আছে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার। যদি দিয়েছে, তাহলে দিয়েছে। এওসব কথা বলে ওঁদের আসলে কোনও লাভ হবে না। বরং আলিপুর আদালতের নির্দেশ দেখুন। নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেস বলতে পারবেন কিনা ভাবুন।'
















