আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফের বঙ্গে ভোটপ্রচারে মোদি। নির্বাচনী প্রচারের মাঝেই বারুইপুরের জনসভা থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর। মেধা নয়, দেশবিরোধী কার্যকলাপের পীঠস্থান হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়, দাবি তাঁর। পাল্টা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে প্রথম দফার ভোটপর্ব। আর গতকাল থেকেই নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে মোদি। গতকাল কৃষ্ণনগরে জনসভার পর শুক্রবার পানিহাটি এবং বারুইপুরে মোদির ভোটপ্রচার। বারুইপুরের জনসভা থেকেই যাদবপুরের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন মোদি। বলেন, "গোটা দুনিয়ায় যাদবপুরের নাম সম্মানের সঙ্গে নেওয়া হত। জাতীয়বাদের উপর ভিত্তি করেই এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। ক্যাম্পাসে অরাজকতা চলছে।" তাঁর দাবি, পড়াশোনা ছেড়ে এখানকার ছাত্ররা দেশবিরোধী স্লোগান লিখছে, হুমকি দিচ্ছে এবং রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছে। শাসক দল তৃণমূলকে বিঁধে বলেন, "যে সরকার বিশ্বখ্যাত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাঁচাতে ব্যর্থ, তারা তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ বাঁচাবে কী ভাবে!"
অন্য দিকে, হাওড়ার জনসভা থেকে মোদিকে পালটা তোপ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী যে ভাষায় যাদবপুরের পড়ুয়াদের আক্রমণ করেছেন, তাতে যুব সমাজের প্রতিবাদ করা উচিত। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব। যুবক-যুবতীরা আমাদের গর্ব। কেন্দ্রের কোনও সাহায্য ছাড়াই এখনও দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে যাদবপুর।"
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই শেষ হয়েছে প্রথম দফার ভোটপর্ব। মোটের উপর নির্বিঘ্নেই ভোট দিয়েছেন সকলে। প্রথম দফাতেই প্রায় ৯০ শতাংশ ভোটদানের হার কার্যত নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞমহল। আগামী বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন হবে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন কেন্দ্রে।















