আজকাল ওয়েবডেস্ক: মুর্শিদাবাদের হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ কোনওদিন হবে না অথচ এই বিষয়টিকে আগামী লোকসভা নির্বাচন অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত 'বাঁচিয়ে' রাখা হবে। বৃহস্পতিবার বহরমপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই দাবি করলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী।
আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অধীর চৌধুরী দাবি করেন হুমায়ুন কবীর এবং অভিষেক ব্যানার্জি এই দু'জনেরই কিছু হবে না অথচ দুজনকে 'জিওল মাছের' মতো 'বাঁচিয়ে' রাখা হবে।
প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ বলেন,"রাজ্যে তৃণমূলের জমানায় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা নিজেদের দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করে বলতো 'উন্নয়নের স্বার্থে' তাঁরা তৃণমূলে যোগদান করছেন। এখন তৃণমূল ছেড়ে বিদ্রোহী শিবিরে যাঁরা যোগদান করছেন তাঁরা অভিষেক ব্যানার্জিকে 'বলির পাঁঠা' করছেন। অথচ অভিষেক ব্যানার্জির কিছু হবে না !তাঁকে 'বাঁচিয়ে' রাখা হবে ,তবেই না তাঁকে গালিগালাজ করা যাবে। 'জিওল' মাছের মত অভিষেক ব্যানার্জি এবং আমার জেলার হুমায়ুনভাইকে বাঁচিয়ে রাখা হবে ,কিছুই করা হবে না এদের।"
অধীর চৌধুরী আজ ফের একবার দাবি করেন, "মসজিদ একটার জায়গায় হাজারটা হতে পারে। কিন্তু বাবরি নামে এবং বাবরি নামকে সামনে রেখে কোনও মসজিদ হবে না। বাবরি মসজিদে ইট পড়বে, দেওয়াল হবে, টুকটাক দু-একটা কাজ হবে কিন্তু মসজিদ কোনওদিন নির্মাণ হবে না। বাবরি নামে মসজিদ হওয়া অসম্ভব কারণ বিজেপি দল ক্ষমতায় এসেছে বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে, রাম মন্দির বানিয়ে।"
প্রাক্তন এই কংগ্রেস সাংসদ বলেন, "দিল্লিতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, এখন বাংলাতেও বিজেপি সরকার। দু'টো ইঞ্জিন গর গর করে চলছে। সেখানে অন্য কোনও 'মামু'কে বাবরি মসজিদ করতে দিলে বিজেপির বাজার খারাপ হয়ে যাবে।"
অধীর চৌধুরী বলেন, "এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও খোকাবাবুকে কিছু করছে না এবং করবে না। তেমনই আমাদের বাবরি মসজিদের নায়কেরও কিছু হবে না। কারণ তারা (পড়ুন বিজেপি) জানে কতদিন পর্যন্ত এদেরকে 'বাঁচিয়ে' রাখতে হবে।"
অন্যদিকে দিল্লিতে বিরোধী শিবিরের জাতীয় স্তরের সমস্ত কর্মসূচিতে দলীয় সাংসদদের থাকার জন্য মমতা ব্যানার্জির নির্দেশ প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন,"বাঁচার জন্য তাঁকে এটা করতে হচ্ছে। এটা থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার রাহুল গান্ধী এবং সনিয়া গান্ধী ছাড়া তাঁর আর অন্য কোন গত্যান্তর নেই।"
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা এবং বেসরকারি হাসপাতালে ইডি-র তল্লাশি অভিযান সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন," প্রতিদিনই তল্লাশি চলছে। তল্লাশি চলছে তো চলছেই। ও দেখে আর কী লাভ রয়েছে?"
















