মিল্টন সেন,হুগলি: ভাইফোঁটা মানেই হরেক রকম মিষ্টির বাহার। আর সেই মিষ্টি কেনার জন্য সোমবার বিকেল থেকে লাইন পড়েছে মিষ্টির দোকানে। এবারে ভাইফোঁটায় প্রায় চারশ রকমের মিস্টি নিয়ে হাজির হয়েছে বাবা পঞ্চানন। বরাবরই জলভরার জন্য বিখ্যাত চন্দননগর। শহরের সব মিস্টির দোকানেই কমবেশি জলভরা পাওয়া যায় সারা বছর। শীতে খুবই সুস্বাদু হয় গুড়ের জলভরা। এবারে ভাইফোঁটা উপলক্ষে তৈরি হয়েছে নানা রকমের জলভরা। দেখা যাচ্ছে, নানান স্বাদের জলভরা, যেমন চকলেট, ম্যাঙ্গো, নলেন গুড় ইত্যাদি পছন্দ করছেন ক্রেতারা। জলভরা ছাড়াও রয়েছে নানা ধরনের সন্দেশ, ছানার ও রসের মিস্টির সম্ভার। প্লাস্টিকের কাপে, মাটির ছোট বড় খুরিতে বা ছোট কলসে তৈরি করা হয়েছে নানান স্বাদের মিষ্টি। মিস্টান্ন ব্যবসায়ী ধনঞ্জয় দাস বলেছেন, করোনা কালে সব ব্যবসার মত মিস্টান্ন ব্যবসাতে প্রভাব পড়েছিল। সেই কালো দিন যাতে আর কখনওই ফিরে না আসে, তাই তিনি শঙ্খ সন্দেশ তৈরি করেছেন। শুভ কাজে শঙ্খধ্বনি দিতে হয়। ভাইফোঁটায় বোনেরা ভাইদের শুভ চায়, তাই শঙ্খ সন্দেশ তৈরি করা হয়েছে। শোকেসে সাজানো পাঁচ কেজির শাঁখ আর জিভে জল আনা হরেক মিষ্টি ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে। সোমবার থেকেই বেলা বাড়ার সঙ্গেই লম্বা হয়েছে মিষ্টি কেনার লাইন। সোমবার রাত ১২ টা পর্যন্ত খোলা ছিলো চুঁচুড়ার বাবা পঞ্চানন। সেই রাতেই প্রায় চল্লিশ জন ক্রেতা উপস্থিত থাকা কালীন দোকান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় দোকান কর্তিপক্ষ। মঙ্গলবার ভোর থেকে আবার লাইন পরে। বেলা বাড়তেই মিষ্টির দোকানের সামনে থাকা সেই লাইন প্রায় দুশ মিটার লম্বা হয়ে যায়। নিয়ম করে চার জন করে ক্রেতা দোকানে ঢুকছেন। তাঁদের কেনা সম্পূর্ণ হলে আবার নতুন চারজন ক্রেতা দোকানে প্রবেশ করছেন। এভাবেই চলছে ভাইফোঁটায় বোনদের মিষ্টি কেনাকাটা।
ছবি পার্থ রাহা।
ছবি পার্থ রাহা।
















