বীরেন ভট্টাচার্য, দিল্লি: জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ট্রেজারি বেঞ্চকে চেপে ধরল বিরোধীরা। গত ৬ ডিসেম্বর বিলটি লোকসভায় পাস হয়। জম্মু ও কাশ্মীর বিলে সেখানে আসন সংখ্যা বাড়ানো, স্থানীয় তপশিলি জাতি, উপজাতি সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষণ এবং বিধানসভায় ২ জনকে মনোনীত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে উপরাজ্যপালের হাতে। ২ জনের মধ্যে একজন মহিলা থাকবেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সীমান্ত সহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ সংরক্ষণের উল্লেখ করা হয়েছে এই বিলে।
এদিন বিলটি নিয়ে আলোচনায় কংগ্রেস সাংসদ রজনী পাতিল সেখানে দ্রুত ভোট করানোর দাবি তোলেন। তিনি বলেন, ‘জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ৪ বছর হয়ে গেলেও, এখনও পর্যন্ত রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো হয়নি। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দ্রুত সেখানে নির্বাচন করানোর কথা মনে করিয়ে দিতে চাই।’ তাঁর কথায়, জম্মু ও কাশ্মীরকে পুরোপুরি রাজ্যের মর্যাদা না ফেরানো পর্যন্ত ভারতের মূল ভাবনা সম্পূর্ণ নয়। কাশ্মীরে সমস্যার জন্য আগাগোড়া জওহরলাল নেহেরুকে দায়ী করে বিজেপি। যদিও রজনী পাতিল বলেন, পণ্ডিত নেহেরুর জন্যই আজ জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অংশ। তৃণমূলের তরফে বিলটি নিয়ে বক্তব্য রাখেন নাদিমূল হক। তিনি জানান, ‘ডিসেম্বরের তীব্র ঠাণ্ডার সময়, কাশ্মীরের বেকারত্বের হার ২১ শতাংশের বেশি। যা সারা দেশের মধ্যে শীর্ষে। ডিসেম্বরের প্রবল ঠাণ্ডায়, কাশ্মীরের সাধারণ মানুষকে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। দুই দশকে এই পরিসংখ্যান সবচেয়ে বেশি। ডিসেম্বরে প্রবল শৈত্যের মধ্যে কাশ্মীরের ৬৬ শতাংশ গ্রামবাসী জলের সংযোগ পাচ্ছেন না।’
এদিন বিলটি নিয়ে আলোচনায় কংগ্রেস সাংসদ রজনী পাতিল সেখানে দ্রুত ভোট করানোর দাবি তোলেন। তিনি বলেন, ‘জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ৪ বছর হয়ে গেলেও, এখনও পর্যন্ত রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো হয়নি। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দ্রুত সেখানে নির্বাচন করানোর কথা মনে করিয়ে দিতে চাই।’ তাঁর কথায়, জম্মু ও কাশ্মীরকে পুরোপুরি রাজ্যের মর্যাদা না ফেরানো পর্যন্ত ভারতের মূল ভাবনা সম্পূর্ণ নয়। কাশ্মীরে সমস্যার জন্য আগাগোড়া জওহরলাল নেহেরুকে দায়ী করে বিজেপি। যদিও রজনী পাতিল বলেন, পণ্ডিত নেহেরুর জন্যই আজ জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অংশ। তৃণমূলের তরফে বিলটি নিয়ে বক্তব্য রাখেন নাদিমূল হক। তিনি জানান, ‘ডিসেম্বরের তীব্র ঠাণ্ডার সময়, কাশ্মীরের বেকারত্বের হার ২১ শতাংশের বেশি। যা সারা দেশের মধ্যে শীর্ষে। ডিসেম্বরের প্রবল ঠাণ্ডায়, কাশ্মীরের সাধারণ মানুষকে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। দুই দশকে এই পরিসংখ্যান সবচেয়ে বেশি। ডিসেম্বরে প্রবল শৈত্যের মধ্যে কাশ্মীরের ৬৬ শতাংশ গ্রামবাসী জলের সংযোগ পাচ্ছেন না।’
















