সংবাদ সংস্থা মুম্বই: বরাবরই সোজাসাপ্টা অভিনেত্রী তিলোত্তমা সোম। সে নিজের বয়স নিয়ে হোক অথবা তাঁর সঙ্গে হওয়া শ্লীলতাহানির ঘটনা নিয়ে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানালেন কীভাবে দিল্লির রাস্তায় শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছিলেন তিনি।
তখন রাত নেমেছে দিল্লির রাস্তায়। অন্ধকার একটু একটু করে ঘন হচ্ছে আরও। শুনশান হয়ে আসছে রাজধানীর রাস্তাঘাট। সেই সময় বাসে যাতায়াত করতেন তিলোত্তমা। বাস স্টপেজ দাঁড়িয়ে রয়েছেন। হঠাৎ একটি গাড়ি এসে দাঁড়াল তাঁর পাশে। গাড়িতে ছ'জন ছেলে। শুরু হল অভিনেত্রীর উদ্দেশ্যে কটুক্তি করা, অশ্লীল মন্তব্য। কথা না বাড়িয়ে এগোনো শুরু করতেই তাঁর শরীর লক্ষ্য করে কেউ ওই গাড়ির মধ্যে থেকে কেউ ঢিল ছোঁড়ে! ভয়ে পেয়ে দৌড়নোর কথা মাথায় এলেও তা করেননি তিলোত্তমা। কারণ, চলন্ত গাড়ির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবেন না। তাই রাস্তায় অন্যান্য চলন্ত গাড়িতে লিফট নেওয়ায় সচেষ্ট হলেন।
কিন্তু দিল্লির রাস্তায় সেই সময় কোনও গাড়ি দাঁড়াচ্ছিল না। তবু হাল ছাড়েননি তিলোত্তমা। শেষমেশ একটি গাড়ি দেখতে পান যার জানলায় চিকিৎসকের চিহ্ন লাগানো ছিল। গাড়িটি দাঁড়ানো মাত্রই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে তাতে উঠে পড়েন তিলোত্তমা। চালকের পাশের আসনেই বসেন। ভেবেছিলেন চিকিৎসকের গাড়ি, তাই সেখানে তিনি সুরক্ষিত। কিন্তু ভুল ছিলেন অভিনেতা। তিলোত্তমা জানান, হঠাৎ তিনি লক্ষ্য করলেন প্যান্টের চেন খোলা শুরু করেছে ওই ব্যক্তি। এরপর সজোরে এক হাতে অভিনেত্রীর হাত শক্ত করে চেপে ধরে টানা শুরু হয়! একমুহুর্ত না ভেবে সজোরে ওই ব্যক্তিকে আঘাত করেন। এতটাই জোরদার ছিল ওই আঘাত যে বাধ্য হয় গাড়ি থামিয়ে ফেলে ওই ব্যক্তি। তারপর রেগে মেগে তিলোত্তমাকে গাড়ি থেকে নেমে যেতে বলে। স্বভাবতই গাড়ি থামতে আর একমুহুর্ত দেরি করেননি অভিনেত্রী। কথাশেষে 'নাইট ম্যানেজার' সিরিজের অভিনেত্রী জানান সেই ঘটনার স্মৃতি আজও তাঁর কাছে বিভীষিকাময়। আতঙ্কের।
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে মীরা নায়ার পরিচালিত ‘মনসুন ওয়েডিং’ ছবির মাধ্যমে অভিষেক হয় তিলোত্তমার। তবে মূল ধারার বাণিজ্যিক ছবি নয়, বরং তিনি নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন সমান্তরাল ছবির জগতে। তবে ওটিটি আসার পর অনেক বেশি নজর কেড়েছে তিলোত্তমার অভিনয়। আদিত্য রায় কাপুর অভিনীত 'নাইট ম্যানেজার ২’ এবং ‘লাস্ট স্টোরিজ় ২’, দুই ওয়েব সিরিজেই দারুণ প্রশংসিত হয়েছেন অভিনেত্রী।
তখন রাত নেমেছে দিল্লির রাস্তায়। অন্ধকার একটু একটু করে ঘন হচ্ছে আরও। শুনশান হয়ে আসছে রাজধানীর রাস্তাঘাট। সেই সময় বাসে যাতায়াত করতেন তিলোত্তমা। বাস স্টপেজ দাঁড়িয়ে রয়েছেন। হঠাৎ একটি গাড়ি এসে দাঁড়াল তাঁর পাশে। গাড়িতে ছ'জন ছেলে। শুরু হল অভিনেত্রীর উদ্দেশ্যে কটুক্তি করা, অশ্লীল মন্তব্য। কথা না বাড়িয়ে এগোনো শুরু করতেই তাঁর শরীর লক্ষ্য করে কেউ ওই গাড়ির মধ্যে থেকে কেউ ঢিল ছোঁড়ে! ভয়ে পেয়ে দৌড়নোর কথা মাথায় এলেও তা করেননি তিলোত্তমা। কারণ, চলন্ত গাড়ির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবেন না। তাই রাস্তায় অন্যান্য চলন্ত গাড়িতে লিফট নেওয়ায় সচেষ্ট হলেন।
কিন্তু দিল্লির রাস্তায় সেই সময় কোনও গাড়ি দাঁড়াচ্ছিল না। তবু হাল ছাড়েননি তিলোত্তমা। শেষমেশ একটি গাড়ি দেখতে পান যার জানলায় চিকিৎসকের চিহ্ন লাগানো ছিল। গাড়িটি দাঁড়ানো মাত্রই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে তাতে উঠে পড়েন তিলোত্তমা। চালকের পাশের আসনেই বসেন। ভেবেছিলেন চিকিৎসকের গাড়ি, তাই সেখানে তিনি সুরক্ষিত। কিন্তু ভুল ছিলেন অভিনেতা। তিলোত্তমা জানান, হঠাৎ তিনি লক্ষ্য করলেন প্যান্টের চেন খোলা শুরু করেছে ওই ব্যক্তি। এরপর সজোরে এক হাতে অভিনেত্রীর হাত শক্ত করে চেপে ধরে টানা শুরু হয়! একমুহুর্ত না ভেবে সজোরে ওই ব্যক্তিকে আঘাত করেন। এতটাই জোরদার ছিল ওই আঘাত যে বাধ্য হয় গাড়ি থামিয়ে ফেলে ওই ব্যক্তি। তারপর রেগে মেগে তিলোত্তমাকে গাড়ি থেকে নেমে যেতে বলে। স্বভাবতই গাড়ি থামতে আর একমুহুর্ত দেরি করেননি অভিনেত্রী। কথাশেষে 'নাইট ম্যানেজার' সিরিজের অভিনেত্রী জানান সেই ঘটনার স্মৃতি আজও তাঁর কাছে বিভীষিকাময়। আতঙ্কের।
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে মীরা নায়ার পরিচালিত ‘মনসুন ওয়েডিং’ ছবির মাধ্যমে অভিষেক হয় তিলোত্তমার। তবে মূল ধারার বাণিজ্যিক ছবি নয়, বরং তিনি নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন সমান্তরাল ছবির জগতে। তবে ওটিটি আসার পর অনেক বেশি নজর কেড়েছে তিলোত্তমার অভিনয়। আদিত্য রায় কাপুর অভিনীত 'নাইট ম্যানেজার ২’ এবং ‘লাস্ট স্টোরিজ় ২’, দুই ওয়েব সিরিজেই দারুণ প্রশংসিত হয়েছেন অভিনেত্রী।
















