নিজস্ব সংবাদদাতা: স্টার জলসার 'উড়ান' ধারাবাহিকের মুখার্জী পরিবারে বিয়ে বাড়ির আনন্দের বদলে এখন শুধুই উত্তেজনা। 'সোমনাথ'-এর পরিবর্তে 'মহারাজ'-এর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে 'পূজারিণী'। যা একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না 'পূর্ণিমা' অর্থাৎ মহারাজের মা। তবে শ্বশুর বাড়িতে প্রবেশের আগেই শাশুড়িকে নিজের জায়গা বুঝিয়ে দিল 'পূজারিণী'।
'পূজারিণী' মুখের ওপর সত্যি কথা বলতে পিছপা হয় না। তবে শুধু অন স্ক্রিনেই নয় অফ স্ক্রিনেও ঠিক কেমন ভাবেই ধরা দিলেন পর্দার 'পূর্ণিমা' অর্থাৎ অঞ্জনা বসু এবং 'পূজারিণী' অর্থাৎ রত্নাপ্রিয়া দাস। বাড়ির বড় ছেলে অর্থাৎ 'সোমনাথ'-এর সঙ্গে বিয়ে ঠিক হলেও ইতিমধ্যেই টাকা হাতিয়ে পালিয়ে গেছে 'সোমনাথ'। তাই বাবার কথায় বিয়ের রাজি হতে হয়েছে 'মহারাজ'কে। এদিকে 'মহারাজ' ও 'পূজারিণী'র আদায় কাঁচকলার সম্পর্ক। তাঁকে মেজ ছেলের বউ হিসেবে মেনে নিতে নারাজ 'পূর্ণিমা'ও। তবে অফ স্ক্রিনে হাসিমুখে ধরা দিলেন মা, মেজো ছেলে এবং হবু বৌমা। বিয়ের দৃশ্যের শুটিং মানেই প্রচন্ড ব্যস্ততা।
বিশেষ করে রত্নাপ্রিয়ার শুটিংয়ের চাপ এদিন বেশি থাকলেও পর্দার হবু শাশুড়ি মাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল হবু বৌমা। রত্নাপ্রিয়ার কথায়, "শাশুড়ি না মানলেও শ্বশুর মশাই আর ঠাম্মি তো আমায় ভালবাসেন, তাহলেই হবে। বাড়িতে ঢুকেই সব ঠিক করে নেব।" এদিকে কম যায় না পূর্ণিমাও, মজা করে অঞ্জনা বসু জানালেন,"বাড়িতে শেষ কথা বলি আমি, তাই এই বাড়িতে প্রবেশ করা এত সহজ নয়। আমি কিছুতেই বৌমা হিসেবে মেনে নেব না।" শাশুড়ি-বৌমার মজার কথোপকথনের মাঝে প্রায় নির্বাক মহারাজ অর্থাৎ প্রতীক। প্রতীক জানালেন, "পূজারিণী যা ঝগড়া করে, এতে মহারাজের অবস্থা যে খারাপ হতে চলেছে বোঝাই যাচ্ছে। তবে এক মুহূর্তের জন্য পূজারিণীকে একটু ভালো লাগলেও ঝগড়ার কথা মনে পড়লে সব ভালো ভুলে যাচ্ছি।" শুটিংয়ের ব্যস্ততা থাকায় এই কথার মাঝেই নায়িকাকে টেনে ফ্লোরে নিয়ে গেলেন পরিচালক। কারণ এই বিয়েকে কেন্দ্র করে 'উড়ান' ধারাবাহিকে দর্শকেরা দেখতে পাবেন মহা সপ্তাহ, সেই কারণেই ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে।
















