আজকাল ওয়েবডেস্ক: এক বছর আগে জুনের এক বিকেল মাতিয়েছিলেন সুনিধি চৌহান। স্থান ছিল ইডেন। মঞ্চ বেঙ্গল টি-২০ লিগের। কিন্তু এবার সেই চাকচিক্য ছিল না। গতবছরের জাঁকজমক উদ্বোধনের লেশমাত্র নেই। তবে এবার বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয় ক্রিকেটকে। শুক্রবার সন্ধেয় ৩০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেঙ্গল টি-২০ লিগের ঢাকে কাঠি পড়ল। ছেলেদের বিভাগে গত বছরের বিজয়ী দল অ্যাডামস হাওড়া ওয়ারিয়র্স এবং নোভাস রয়্যালস পুরুলিয়া ম্যাচ দিয়ে শুরু হল বাংলার লিগ। তবে এদিনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, মাঠকর্মীদের হাতে আইপিএলে পাওয়া সেরা ভেন্যুয়ের চেক তুলে দেওয়া। প্রথমে ইডেনের পিচ কিউরেটর সুজন মুখার্জির হাতে তুলে দেওয়া হত চেক। ডেকে নেওয়া হয় সব মাঠ কর্মীদের। তাঁদের হাতে চেক তুলে দেন সৌরভ। 

এই পুরস্কারের আসল প্রাপক যে মাঠকর্মীরাই সেটা স্বীকার করে নেন সৌরভ গাঙ্গুলি। পাশাপাশি তাঁদের প্রশংসাও করেন। এবছরের বেঙ্গল টি-২০ লিগ নিয়ে আশাবাদী সিএবির সভাপতি। তরুণ ক্রিকেটারদের এই মঞ্চ কাজে লাগানোর বার্তা দেন।

সৌরভ বলেন, 'সিএবির মস্তিষ্কপ্রসূত এই বেঙ্গল টি-২০ লিগ। বাংলার ক্রিকেটের উন্নতিতে আমরা ২০২৪ সালে এই লিগ শুরু করি। আইপিএল যখন শুরু হয়েছিল, এতটা জনপ্রিয় ছিল না। এটাও ছোট আইপিএল, মিনি আইপিএলের মতো। তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ করে দেবে। এটা উঠতি ক্রিকেটারদের প্রতিভা বিকাশের মঞ্চ। আরও একধাপ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ।তরুণ ক্রিকেটারদের এই মঞ্চ কাজে লাগানো উচিত। আমরা এই লিগকে সফল করার আপ্রাণ চেষ্টা করব। মাঠকর্মীদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। বছরে এই মাঠে প্রচুর খেলা হয়। ওদের জন্যই এটা সম্ভব।' 

সন্ধে সাড়ে ছ'টা নাগাদ শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ট্রফি নিয়ে মঞ্চে ওঠেন ছেলে এবং মেয়েদের বিভাগে গতবারের দুই বিজয়ী অধিনায়ক। সঙ্গে ছিলেন ঝুলন গোস্বামী। এছাড়াও মঞ্চে ছিলেন সিএবি সচিব বাবলু কোলে, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস সহ সংস্থার অন্যান্য কর্তারা। সৌরভের সঙ্গে করমর্দন করেন ১৬ দলের অধিনায়করা। দলের লোগো নিয়ে মঞ্চে ওঠেন অধিনায়করা। ব্যাকড্রপে লোগো লাগানোর পাশাপাশি করেন সই। তারপর চলে ট্রফির সঙ্গে ফটোসেশন। প্রথমে মেয়েরা, পরে ছেলেরা।বেঙ্গল টি-২০ লিগের উদ্বোধনীতে ইডেনে ক্রিকেট ভক্তদের হাজিরা চোখে পড়ার মতো। ক্লাব হাউজের দুই পাশের গ্যালারি অর্ধকের বেশি ভর্তি। প্রথম দিনের দশক সংখ্যায় আগের দু'বছরকে ছাপিয়ে যায় ক্রিকেটের নন্দনকানন।