আজকাল ওয়েবডেস্ক: নেইমারের রাতে মন জিতে নিলেন ভিনিশিয়াস। স্কটল্যান্ড ম্যাচে জোড়া গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে প্রবলভাবে ঢুকে পড়লেন ব্রাজিলীয় তারকা। চার গোলে এমবাপে এবং হালান্ডকে ধরে ফেলেছেন। সামনে একমাত্র মেসি। ভিনির প্রশংসায় পঞ্চমুখ কার্লো আনচেলত্তি। তাঁকে 'বিশ্বের অন্যতম সেরা প্লেয়ার' এর অ্যাখ্যা দেন। ম্যাচে শেষে ব্রাজিলের কোচ বলেন, 'ও বিশ্বকাপে কেমন ফর্ম নিয়ে আসবে, সেই বিষয়ে আমার কোনও সন্দেহ ছিল না। জাতীয় দলে খেলা ওর জন্য গর্বের। ও ভাল খেলছে। এমনকী হেডে গোলও করেছে। যা ওর ক্ষেত্রে সচরাচর দেখা যায় না। আমি জানতাম ভিনি কী করতে পারে। ও বিশ্বের অন্যতম সেরা প্লেয়ার।'
রিয়েল মাদ্রিদে চার বছর ভিনির কোচ ছিলেন ইতালীয়। তাই জাতীয় দলে কিছুটা সুবিধা হচ্ছে একে অপরের খেলার স্টাইলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে। ২০০২ সালের পর প্রথম ব্রাজিলীয় প্লেয়ার হিসেবে গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে গোল করার নজির গড়লেন ভিনিশিয়াস। ২৪ বছর আগে এই রেকর্ড করেছিলেন রোনাল্ডো এবং রিভালদো। তার আগে ১৯৭০ সালে প্রথমবার এই কীর্তি করেন জেয়ারজিনহো। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে করেন রোমারিও। কাকতালীয়ভাবে, অতীতে যতবারই এমন হয়েছে, বিশ্বকাপ জিতেছে ব্রাজিল। এবারও কি তাই হবে? রেকর্ড বা পরিসংখ্যান নিয়ে ভাবেন না ভিনি। নিজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চান। ভিনি বলেন, 'আমি সবসময় বলি, পরিসংখ্যান নিয়ে ভাবি না। আমি এত গোল করতে অভ্যস্ত নই। কিন্তু কোচ আমাকে এই জায়গায় খেলাচ্ছে। পজিশনের সঙ্গে আমি মানিয়ে নিয়েছি। এখন আমি গোল করে দলকে জেতাতে পারছি।'
২০২৪ সালে ব্যালন ডি অর প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেন ভিনি। গত মরশুমে রিয়েলের হয়ে ৫৩ ম্যাচে ২২ গোল করেন। ফাইনাল পর্যন্ত এই ছন্দ ধরে রাখতে চান। ভিনি বলেন, 'আশা করছি ফাইনাল পর্যন্ত এইভাবে চালিয়ে যেতে পারব। দলের খেলায় আমি খুশি। সবাই ভাল খেললে অনায়াসে আক্রমণভাগে বল চলে আসে। গোলের সুযোগ আসে।' নেইমার মাঠে ফেরায় স্বস্তি ফিরেছে ব্রাজিল শিবিরে। তারকা প্লেয়ারকে নিয়ে আশাবাদী সেলেকাওদের কোচ। আনচেলত্তি বলেন, 'ওর মাঠে ফেরা উচিত ছিল। ফিটনেস অর্জন করতে কঠোর পরিশ্রম করেছে। সবটাই খুব পেশাদারভাবে করেছে। বিশ্বকাপে দলকে সাহায্য করার ক্ষমতা আছে। যে সময়টুকু মাঠে ছিল, ভালই খেলেছে। ব্রাজিলের হয়ে খেলার জন্য ওর মোটিভেশনের প্রয়োজন নেই। ওর বয়স ৩৪। কিন্তু বাচ্চাদের মতো এখনও ফুটবল খেলতে ভালবাসে।' সোমবার রাতে হিউস্টনে পরের ম্যাচ ব্রাজিলের। প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস, জাপান এবং সুইডেনের মধ্যে একটি দল।















