আজকাল ওয়েবডেস্ক: কলকাতায় অনুষ্ঠিত জাতীয় স্কুল গেমসে মৃত্যু হয় এক কিশোর জিমন্যাস্টের। ঘাড়ে চোট পেয়ে প্রয়াত হন মধ্যপ্রদেশের উজায়ির আলি। কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর জন্য মধ্যপ্রদেশের দলের সঙ্গে যাওয়া কর্তাদের দায়ী করেন মৃতের পরিবার। জানায়, তাঁদের অবহেলার ফেলেই মৃত্যু হয় উজায়িরের। ২৮ জানুয়ারি কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিশোর জিমন্যাস্ট। ১২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেন তিনি। ১৬ জানুয়ারি টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ওয়ার্ম আপ করার সময় চোট পান। ডবল ব্যাকফ্লিপ করার সময় ভারসাম্য হারিয়ে ব্যালেন্স বিম থেকে পড়ে যান। ঘাড়ে চোট লাগে। হাড় সরে যায়।
ভারতের স্কুল গেমস ফেডারেশনের অনুমোদিত ৪৪টি রাজ্য ইউনিট থেকে ৮০০ জনের বেশি বয়সভিত্তিক জিমন্যাস্ট প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। আর্টিস্টিক ইভেন্টে দু'বারের রাজ্য জুনিয়র চ্যাম্পিয়ন এবং জাতীয় স্তরের জিমন্যাস্ট উজায়ির। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান দলের কোচ অমন বর্মা এবং টিম ম্যানেজার হেমন্ত বিশ্বকর্মা। মৃতের ভাই ইমরান আলির অভিযোগ, ঘটনার পরের দিনই মধ্যপ্রদেশে নিজেদের বাড়িতে ফিরে যান দলের কোচ এবং ম্যানেজাররা। উজায়িরের সঙ্গে কেউ কলকাতায় থাকেনি। দলের সঙ্গে থাকা রাম বানিয়ার নামক এক ম্যানেজার জানান, ৪২ জন্য জুনিয়র অ্যাথলিটকে নিয়ে তাঁকে ভোপালে ফিরতে হত। তাই কলকাতায় থাকতে পারেননি। চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কিন্তু তাঁর পরিবার প্রাইভেট হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে চেয়েছিল। যাতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অস্ত্রোপচার হয়। মধ্যপ্রদেশের স্টেট এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের জয়েন্ট ডিরেক্টর অলক খারে জানান, মৃতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবে রাজ্য সরকার। ফেডারেশনও তাঁর পরিবারকে সবরকমের সাহায্য করবে।
