আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব স্থির। ইডেনে বৃহস্পতিবার সকালে নিয়মরক্ষার ম্যাচে মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইতালি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে নিছক নিয়মরক্ষার ম্যাচ। সুপার এইটের মহড়া সেরে রাখতে চাইবে ক্যারিবিয়ানরা। তবে ইতালির লক্ষ্য অন্য। জিতে অন্তত নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে দাগ রেখে যেতে চায়। কলকাতার দ্রষ্টব্য স্থান ঘুরে দেখে মুগ্ধ ইতালিয়ানরা। এদিন ইতালি ক্যাপ্টেন ওয়ানি ম্যাডসেন বললেন,'ফ্যাবরিকাতে গিয়ে ইতালিয়ান খাবার খেতে দারুণ লাগে। আমরা ভিক্টোরিয়া এবং নিউ মার্কেট ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেখানকার পরিবেশ দারুণ। আমি খেলি না খেলি এই দলটা আমার হৃদয়ে থেকে যাবে। আমি খেলব কিনা সেটা সময় বলবে।'
২০ বছর হকি খেলার পর ক্রিকেট খেলার সিদ্ধান্ত নেন। তখনও জানতেন না ইতালি একদিন বিশ্বকাপ খেলবে। শুধু খেলাই নয়, নেপালকে হারায়ও পাওলো মালদিনির দেশ। নিজেদের পারফরম্যান্সে খুশি। ম্যাডসেন বলেন, 'এই দলটাকে ধরে রাখতে হবে। সেটা ফেডারেশনকে উদ্যোগ নিতে হবে।' ইতালি ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হলেও, নিয়মিত ফুটবল দেখেন। তাঁর প্রিয় খেলোয়াড় ফ্রান্সিসকো টোটি।' বৃহস্পতিবার সম্মানের লড়াই জিতে বিশ্বকাপ শেষ করতে চান ইতালিয়ানরা।
এদিকে সুপার এইটের ছাড়পত্র সংগ্রহ করে ফেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিয়মরক্ষার ম্যাচে কি একাধিক পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে? ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং কোচ ফ্লয়েড রিফার বলেন, 'কোনও প্লেয়ারকে বিশ্রাম দেওয়া হবে কিনা এখনও জানি না। আমরা প্রত্যেক ম্যাচকে গুরুত্ব দিচ্ছি। বিশ্বকাপে প্রত্যেক ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সেইভাবে ফোকাস করছি। ম্যাচ প্রতি ভাবছি।' ইডেনে সুপার এইটের শেষ ম্যাচে টিম ইন্ডিয়ার মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে সেই ভাবনা এখনও শিবিরে প্রবেশ করেনি। ফ্লয়েড রিফার বলেন, 'ভারতের ম্যাচ যখন আসবে তখন ভাবব। আমরা আপাতত শুধু ইতালিকে নিয়ে ভাবছি। সুপার এইট শুরু হলে সেটা নিয়ে ভাবব।আমাদের প্রত্যেক প্লেয়ার ফিট আছে।আমরা খুব উপভোগ করে খেলছি। আমাদের দলের সবাই বিশ্বকাপ উপভোগ করছে। আমরা সবাই খুশি। এখানকার পরিবেশ দারুণ। এখানে আমাদের অনেক ইতিহাস আছে। আমরা দারুণ সমর্থন পাই।'
চলতি বিশ্বকাপে দারুণ ফর্মে আছেন হেটমেয়ার। ইডেনে একটি ম্যাচও জেতান। তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং কোচ। ফ্লয়েড বলেন, 'হেটমেয়ার ২০১৬ সালে তরুণ ব্যাটার ছিল। এখন ও অনেক পরিণত। ও আমাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার। আমাদের দলে অনেক ভাল প্লেয়ার আছে। আমরা দলগতভাবে ভাল খেলার চেষ্টা করি। আমরা সবাইকে সমানভাবে সুযোগ দিই। অতীতের সঙ্গে বর্তমানের তুলনা করা ঠিক নয়। নতুনরা অতীত থেকে অনুপ্রেরণা পায়। আমাদের লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা।' কলকাতায় টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ক্যারিবিয়ানরা। এবারও তার পুনরাবৃত্তি চায় ড্যারেন স্যামিরা।
