আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ রবিবার টি–২০ বিশ্বকাপ থেকে ছুটি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও কলকাতাতেই পড়ে রয়েছেন শাই হোপরা। ইজরায়েল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে ইরানের যুদ্ধের ফলে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিমান চলাচল বন্ধ। তারই খেসারত দিতে হচ্ছে ড্যারেন স্যামিদের।


বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের কোচ। স্যামি লিখেছেন, ‘‌শুধু বাড়ি যেতে চাই।’‌ তাঁর কথা থেকে পরিষ্কার, চুপচাপ বসে থাকতে ভাল লাগছে না ক্রিকেটারদের। বাড়ি ফিরতে চাইছেন তাঁরা। তবে এই পরিস্থিতিতে তাঁরা কবে কলকাতা ছাড়তে পারবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।


শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ নয়, একই অবস্থা জিম্বাবোয়েরও। তারা দিল্লিতে আটকে রয়েছে। দুই দলেরই ফেরার বিমান ছিল দুবাই বিমানবন্দর হয়ে। কিন্তু যুদ্ধের কারণে সেখানে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তার ফলে ভারতের মাটিতে আটকে পড়ে দু’দল।


জানা গিয়েছে, আইসিসি চেষ্টা করছে বিকল্প পথে ক্রিকেটারদের বাড়ি ফেরাতে। জিম্বাবোয়ে ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, তাদের দলকে দু’টি ব্যাচে দেশে ফেরানো হচ্ছে। দুবাইয়ের বদলে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা হয়ে ফিরবে তারা। বৃহস্পতিবার প্রথম ব্যাচ ভারত ছাড়বে। দ্বিতীয় ব্যাচ ভারত ছাড়বে শুক্রবার। ঠিক একইভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটারদেরও অন্য পথে দেশে ফেরানো সম্ভব কি না সেটা খতিয়ে দেখছে জয় শাহের সংস্থা।

এদিকে, ওয়াংখেড়েতে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। টি–২০ বিশ্বকাপের। এটা ঘটনা, ফাইনালে উঠে গিয়েছে নিউজিল্যান্ড। এই অবস্থায় মহা গুরুত্বপূর্ণ মুম্বইয়ে ভারত–ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। কিন্তু যদি বৃষ্টি বা অন্য কোনও কারণে বৃহস্পতিবারের ম্যাচ ভেস্তে যায়, তাহলে কী হবে? কারা যাবে ফাইনালে? কী রয়েছে আইসিসির নিয়মে?


মুম্বইয়ের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও আইসিসি একটি ‘রিজার্ভ ডে’ রেখেছে। দু’টি সেমিফাইনালেই এই নিয়ম। ইডেনে নির্বিঘ্নে প্রথম সেমিফাইনাল হয়েছে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার বৃষ্টি বা খারাপ আবহাওয়ার কারণে যদি খেলা না হয় বা মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়, তবে ম্যাচটি পরের দিন, অর্থাৎ শুক্রবার নতুন করে শুরু করা হবে অথবা আগের দিন যে জায়গায় খেলা বন্ধ হয়েছে, সেখান থেকেই শুরু হবে। ফলাফল নিশ্চিত করার সব রকম চেষ্টা করা হবে।