আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম অঘটন ঘটার অতিক্রম হয়েছিল। খাদের কিনারায় পৌঁছে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। অল্পের জন্য বেঁচে যায়। মাত্র ৪ রানে হারে নেপাল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেপালের দ্রুত উত্থানের প্রশংসা করেন আকাশ চোপড়া। অ্যাসোসিয়েট দেশগুলোকে যথাযথ সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানায় আইসিসিকে। জানান, শুধুমাত্র বিশ্বকাপ নয়, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং নিয়মিত টুর্নামেন্ট খেলা উচিত নেপালের। বিশ্বকাপের শুরুতে রবিবারের ম্যাচ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম নেপাল সমর্থকদের জনজোয়ারের সাক্ষী থাকে। বিশ্বমঞ্চে নেপালের মতো দলগুলোর বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার বার্তা দেন আকাশ চোপড়া।
রবিবার নেপালের খেলা দেখে উচ্ছ্বসিত তিনি। আকাশ চোপড়া বলেন, 'আমরা অ্যাসোসিয়েট দেশ এবং নীচের দিকে থাকা দলগুলোকে নিয়ে কী করছি সেই নিয়ে কথা বলব। ওরা শুধু আইসিসি টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। এটা শুধু লোকদেখানো সমর্থন। মোটেই বাহবা দেওয়া পোস্ট নয়। ওরা ভাল খেলবে, কিন্তু আবার দু'বছর পর ওদের মনে পড়বে।' চোপড়া দাবি করেন, টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাসোসিয়েট দেশগুলোকে নিয়ে আগ্রহ কমে যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ওরা যেন বিয়েতে অংশ নিতে এসেছে। তারপরই ওদের ভুলে যাওয়া হয়। পরের দু'বছর তোমরা ওদের খবরই রাখো না। প্রত্যেক ম্যাচে নীচের দিকের দলগুলো ভাল খেলছে। কিন্তু আমরা সবাই এগুলো ভুলে যাবো। এইসব দু'বছরে একবার হয়। আমরা এই নিয়ে আলোচনা করি, তারপর ভুলে যাই। আমাদের কাছে কোনও গুরুত্ব নেই। আমার সব ভুলে যাই। দেশে ফিরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে শুরু করি। কেউ ওদের নিয়ে ভাবে না।'
রবিবার একটা সময় পর্যন্ত টক্কর দেয় নেপাল। কিন্তু শেষপর্যন্ত স্নায়ু ধরে রাখতে পারেনি। চোপড়া মনে করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতার ওভাবেই বৈতরণী পার করতে পারেনি তাঁরা। দাবি করেন, নিয়মিত শক্তিশালী দলগুলোর বিরুদ্ধে খেললে তবেই উন্নতি হবে। তিনি মনে করেন, ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়নের জন্য অ্যাসোসিয়েট দেশগুলোর বিরুদ্ধে খেলার উদ্যোগ নিতে হবে নিয়মিত ক্রিকেট খেলিয়ে দেশগুলোর বোর্ডদের। রবিবার একটুর জন্য বেঁচে যায় ইংলাল্ড। গ্রুপ সিতে নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ মাত্র ৪ রানে জেতে। প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ১৮৪ রান তোলে ইংল্যান্ড। জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রানে থামে নেপাল। লোকেশ বামের ২০ বলে ৩৯ রান সত্ত্বেও জিততে পারেনি। শেষ ওভারে ১০ রান প্রয়োজন ছিল। মাত্র ৫ রান নেয় নেপাল। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হাজির ছিল প্রায় ১৭০০০ নেপাল সমর্থক। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ক্রিকেট নিয়ে জনপ্রিয়তা বাড়ছে সেই দেশে।
