আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-২০ সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন মহম্মদ সিরাজ। আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সিরিজে পাওয়া যাবে না ভারতীয় পেসারকে। তাঁর পরিবর্ত হিসেবে নেওয়া হয়েছে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের অঙ্গ হিসেবে তাঁকে বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিসিসিআইয়ের মেডিক্যাল টিম এবং টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সামনেই লম্বা আন্তর্জাতিক মরশুম। পর্যাপ্ত রিকভারি সময় দেওয়ার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শনিবার থেকে লাল বলের ক্রিকেটে ফেরে ভারতীয় দল। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট খেলে শুভমন গিলরা। সেই টেস্টে অনিশ্চিত ছিলেন সিরাজ। কিন্তু আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেন। ভারতীয় পেসারের ওয়ার্কলোড নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আইপিএলের ফাইনালে খেলেছে গুজরাট টাইট্যান্স। দলের প্রধান বোলার ছিলেন সিরাজ। তাই তাঁর খেলা নিয়ে সংশয় ছিল। জানানো হয়েছিল, দল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টা আগে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সিরাজকে বিশ্রাম দেওয়া হলে, কপাল খুলে যেতে পারত আকিব নবির। জম্মু কাশ্মীরের রঞ্জি ট্রফি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। কিন্তু খেলেন সিরাজ। যার ফলে টেস্টে অভিষেকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে নবিকে।
নবির অভিষেক না হলেও, প্রথম টেস্টে বাজিমাত করেন মানব সুথার। টেস্ট অভিষেকে ছয় উইকেট নিয়ে বিশেষ ক্লাবে প্রবেশ করেন। এর আগে এই তালিকায় ছিলেন নরেন্দ্র হিরওয়ানি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, দিলীপ দোশী এবং সৈয়দ আবিদ আলি। টেস্ট অভিষেকে দশম ভারতীয় হিসেবে পাঁচ উইকেট নেওয়ার নজির গড়লেন। স্পিনারদের মধ্যে পঞ্চম। ২০১১ সালে দিল্লিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অভিষেক টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭ রানে ৬ উইকেট নেন। সুথার জানান, ধৈর্য এবং ধারাবাহিকতা লাল বলের ক্রিকেটে সাফল্যের চাবিকাঠি। সাত উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন। তারমধ্যে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট। টেস্টে ভারতের সবচেয়ে বড় জয়। ম্যাচ সেরার পুরস্কার পাওয়ার পর সুথার বলেন, 'দারুণ অনুভূতি। নিজেকে টপ অফ ওয়ার্ল্ডে মনে হচ্ছে। ব্যাট করতে নেমে প্রথম কয়েকটা বল খেলার পর ধীরে ধীরে মানিয়ে নিই। প্রথম ওভার বল করার সময়, আমি একই লেন্থ এবং লাইন বজায় রাখার চেষ্টা করি।'















