আজকাল ওয়েবডেস্ক: গোল মিসের বন্যা, ছন্নছাড়া ফুটবল। কোনোমতে ইউনাইটেড কলকাতাকে হারিয়ে কলকাতা লিগে জয়ের ধারা বজায় রাখল মোহনবাগান। প্রথমার্ধ যতটাই নিরামিষ, দ্বিতীয়ার্ধ ততটাই ঘটনাবহুল। ম্যাচের একমাত্র গোলটি সুহেল ভাটের পা থেকে এলেও বাকি যা সুযোগ জম্মু কাশ্মীরের ফরোয়ার্ড মিস করলেন সেই দৃশ্য দেখে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন সিনিয়র দলের কোচ প্যানোস।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই বাঁদিক থেকে আক্রমণে উঠেছিলেন সায়ন ব্যানার্জি। তাঁর মাইনাস আটকে যায় ইউকেএসসি ডিফেন্সে। পাঁচ মিনিটে গোগোচার গোল অফসাইডের জন্য বাতিল। প্রথম দিকে মোহনবাগান চাপ বাড়ালেও ধীরে ধীরে খেলায় ফিরছিল ইউনাইটেড কলকাতা। সুযোগ তৈরি করেছিলেন বিদ্যাসাগর সিং। অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় তাঁর শট। ৪৩ মিনিটে সায়নের দুর্দান্ত অ্যাসিস্ট থেকে খাতা খোলেন সুহেল ভাট।
বক্সের ভিতর বাঁদিক থেকে গোল করেন সুহেল। বল পোস্টে লেগে গোলে ঢুকে যায়। তবে আসল কৃতিত্ব সায়নেরই। ৬১ মিনিটে ফাঁকা গোল পেয়েও বাইরে হেড করলেন সুহেল। ৬৮ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে রোহিত সিংয়ের সেন্টার থেকে সাজিয়ে দেওয়া বলে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন বাগান ফরোয়ার্ড। পায়ে পেয়েও ছ' গজের মধ্যে থেকে সুহেলের সুযোগ নষ্ট দেখে মাথায় হাত উঠে গেল সিনিয়র দলের কোচ প্যানোসের।
৮২ মিনিটে ইউনাইটেড কলকাতার উমের শাকিলের দূরপাল্লার শট জাহিদের বুকে লেগে বেরিয়ে যায়। ফিরতি বল জবি ধরতে গেলে জাহিদ এগিয়ে আসেন সেভ করতে। জবির সঙ্গে ধাক্কা লাগলে পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু বিদ্যাসাগর সিং গোলের থেকে দশ হাত দূরে হোর্ডিং লক্ষ্য করে মারলেন। ৮৭ মিনিটে বাঁদিক থেকে সায়ন বল নিয়ে এগোলে তাঁকে ফাউল করেন অমিত টুডু। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড খেয়ে লাল কার্ড দেখে বাইরে বেরোতে হয় অমিতকে। ইনজুরি টাইমে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় জবি জাস্টিনকে। শেষের দিকে রেফারির সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়ায় মোহনবাগান। এদিন মোহনবাগানের ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। গ্যালারিতে বসে ম্যাচ দেখার পাশাপাশি মোহনবাগানের ট্রফি রুমও প্রদর্শন করেন তিনি।
ছন্নছাড়া ফুটবল এবং গোল মিসের বন্যা, সুহেলের একমাত্র গোলে ইউকেএসসির বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয় মোহনবাগানের
















