দীর্ঘ ১৫ বছর পর দেশজুড়ে ২০২৭ সালের আদমশুমারির কাজ শুরু হয়েছে। দুই দফায় জনগণনার কাজ সম্পন্ন করা হবে। ইতিমধ্যেই গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।
2
16
প্রথম দফায়, বাড়ির অবস্থা, পরিবারের বৈশিষ্ট্য, পানীয় জল, শৌচাগার, বিদ্যুৎ, রান্নার জ্বালানি, ইন্টারনেট সংযোগের মতো পরিষেবা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
3
16
দ্বিতীয় দফায়, প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের নাম, বয়স, লিঙ্গ, জাতি ও ধর্ম সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে প্রকৃত জনসংখ্যা গণনা করা হবে।
4
16
এবারে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণানার কাজ সম্পন্ন করা হবে। চাইলে বাড়িতে বসে সেল্ফ এনুমারেশনও করা যেতে পারে। অর্থাৎ, নাগরিকরা নিজেই বাড়িতে বসে নিজের তথ্য নথিবদ্ধ করতে পারবেন।
5
16
জনগণনার ইতিহাসে এই প্রথমবার, এই বছর এমন একটি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। যেহেতু দু'টি মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হবে, তাই আশা করা হচ্ছে যে এই প্রক্রিয়ায় নির্ভুল তথ্য প্রদান করা হবে এবং জনগণনার কাজের গতি ত্বরান্বিত করবে।
6
16
আগামী ১ থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত প্রথম সেল্ফ এনুমারেশনের জন্য নির্দিষ্ট দিন ধার্য করেছে কেন্দ্র। আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে বাড়িতে বসেই এনুমারেশনের কাজ সেরে নিতে পারবেন নাগরিকরা।
7
16
প্রথমে জনগণনার পোর্টাল https://se.census.gov.in/ -এ গিয়ে রেজিস্টার করে লগ ইন করুন। আপনি কোন রাজ্যের রাজ্যের বাসিন্দা, সেই রাজ্য বেছে নিতে হবে।
8
16
এরপর, পরিবারের প্রধানের নাম, মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি লিখুন। মনে রাখবেন যে, পরিবারের প্রধানের নাম পরিবর্তন করা যাবে না। একটি পরিবার রেজিস্টার করতে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর অন্য পরিবারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না।
9
16
প্রদত্ত ১৬টি বিকল্প থেকে আপনার পছন্দের ভাষা নির্বাচন করুন এবং আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপিটি দিয়ে দিন।
10
16
এরপর, জেলা নির্বাচন করুন এবং পোস্টাল কোড ও গ্রাম বা শহরের বিবরণ দিন। এছাড়াও, আপনার বাড়ির সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করতে প্রদত্ত মানচিত্র বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করুন।
11
16
এর ঘর ও তার ব্যবহার সংক্রান্ত ৩৩টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর জমা দিতে হবে। প্রদত্ত তথ্য খুঁটিয়ে দেখে নিন, প্রয়োজনে সংশোধন করুন এবং তথ্য সেভ করে রাখুন। যদি কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন না থাকে, তবে নির্ধারিত সময়সীমার আগে তথ্য জমা দিন।
12
16
বিবরণ জমা দেওয়ার পর, মোবাইল বা ইমেলে একটি ১১ সংখ্যার নম্বর পাবেন। জনগণনার দায়িত্বে থাকা সরকারি আধিকারিকেরা যখন বাড়িতে যাবেন, ওই নম্বরটি তাঁদের দেখাতে হবে। তথ্য যাচাই করার পর নির্দিষ্ট সার্ভারে আপলোড করা হবে।
13
16
৩৩টি প্রশ্নের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যের মধ্যে রয়েছে, বাড়ির ধরন; মেঝে ও দেয়ালে ব্যবহৃত উপকরণ, ঘরের সংখ্যা, মালিকানাধীন বা ভাড়া এবং বাড়ির অবস্থা, বাসিন্দার সংখ্যা, পানীয় জল ও বিদ্যুতের উৎস।
14
16
অনলাইন স্ব-গণনা পর্ব শেষ হওয়ার পর, ১৬ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণনা করা হবে। এই সময়, অবশ্যই অনলাইনে স্ব-গণনা সম্পন্ন করার সময় প্রাপ্ত ১১ সংখ্যার নম্বরটি দেখাতে হবে।
15
16
অনলাইনে সেল্ফ এনুমারেশন না করলেও, বাড়িতে আসা গণনাকারীর কাছে বিবরণ নথিভুক্ত করা যাবে। ১১ সংখ্যার নম্বরটি হারিয়ে ফেললেও চিন্তা নেই। গণনাকারীরা তা খুঁজে নিয়ে জনগণনার কাজ করতে পারবেন।
16
16
গণনাকারীদের রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য স্মার্টফোন এবং বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এই বিশাল দেশব্যাপী প্রকল্পে ৩০ লক্ষেরও বেশি কর্মী জড়িত এবং এর আনুমানিক ব্যয় ১১,৭১৮ কোটি টাকা।