আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট করার জন্য বড় শাস্তির মুখে পড়তে চলেছে পাকিস্তান। শাস্তির খাড়া থেকে বাঁচতে একটি বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। 'ফোর্স মেজর' ক্লজের প্রয়োগ করতে চলেছে পাকিস্তান। তাঁদের দাবি, 'অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি' তে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান সরকার। এখনও ভারত ম্যাচ বয়কটের কারণ জানানো হয়নি। একটি সূত্রের খবর, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড দাবি করবে, এটা ভিন্ন পরিস্থিতি। ভারতের বিরুদ্ধে না খেলার কোনও যথাযথ কারণ নেই। তাই 'ফোর্স মেজর' প্রয়োগ করা ছাড়া কোনও রাস্তা নেই পাকিস্তানের সামনে। 

বৃহস্পতিবার আরও একবার নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয় পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নিজেদের অবস্থানে অনড় তাঁরা। কোনওভাবেই ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না পাকিস্তান। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট বলা হয়েছে, ইসলামাবাদে ক্যাবিনেটের বৈঠকে এমন জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, সবদিক বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শেহবাজ শরিফ বলেন, 'আমরা টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। আমরা কোনওভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে খেলব না। খেলায় কোনও রাজনীতি থাকা উচিত নয়। আমরা সবদিক বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।' নিজেদের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবি করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে পিসিবির প্রাক্তন প্রধান এহসান মানি দাবি করেন, পাকিস্তানকে শাস্তি দিতে পারে না আইসিসি। তিনি জানান, ভারত ম্যাচ বয়কটের জন্য পাকিস্তানকে শাস্তি দিতে পারে না আইসিসি। দাবি করেন, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার নেই ক্রিকেটের সর্বাধিক নিয়ামক সংস্থার। পাকিস্তান সরকার দলকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সম্মতি দিয়েছে। কিন্তু পাশাপাশি স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিরুদ্ধে খেলব না পাকিস্তান। কিন্তু কোনও নির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। এহসান মানি বলেন, 'সরকারের পরামর্শ মেনে চললে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। এর ভিত্তিতেই ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠায়নি ভারত সরকার। দ্বৈত আচরণ থাকা উচিত নয়।'