আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ টি–২০ বিশ্বকাপ চলাকালীনই পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে উঠল মারাত্মক অভিযোগ। ইমাদ ওয়াসিমের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ এনেছেন তাঁরই প্রাক্তন স্ত্রী সানিয়া আশফাক। তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে। ইমাদকে সই করানোয় পাকিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (পিএসএল) দল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষেরও সমালোচনা করেছেন সানিয়া।


প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে সানিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে লাহোরে আমার গর্ভপাত করানো হয়। গর্ভের সন্তানকে মেরে ফেলতে বাধ্য করে ইমাদ। ও একজন খুনি। প্রমাণ হিসাবে আমার কাছে ওই ঘটনার ভিডিও রয়েছে। ইমাদ আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ইসলামাবাদ ইউনাইটেড একজন খুনি এবং প্রতারককে দলে নিয়েছে। কোনও খুনি বা প্রতারকের ছাড় পাওয়া উচিত নয়। সকলের কাছে আর্জি, ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে বয়কট করুন।’


প্রসঙ্গত, গত ২৮ ডিসেম্বর ইমাদের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে সানিয়ার। সম্প্রতি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন ইমাদ। বিচ্ছেদ নিয়ে ইমাদ জানিয়েছিলেন, আরও আগেই তাঁদের সম্পর্ক শেষ হতে পারত। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছেন সব কিছু ঠিক করার। কিন্তু পারেননি। দীর্ঘ দিন ধরে চলা সমস্যা শেষ করতেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন। সানিয়ার সঙ্গে ইমাদের বিয়ে হয়েছিল ২০১৯ সালে। ২০২১ সালে তাঁদের মেয়ের জন্ম হয়। ২০২২ সালে ছেলে হয় তাঁদের।


কিছু দিন আগে নাইলাকে বিয়ে করেছেন পাকিস্তানের হয়ে ৫৫টি একদিনের ম্যাচ এবং ৭৫টি টি–২০ ম্যাচ খেলা অলরাউন্ডার। দ্বিতীয় বিয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় পাক ক্রিকেটার লিখেছিলেন, ‘ভেবেচিন্তেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার উদ্দেশ্য খুব স্পষ্ট। শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নতুন করে জীবন গড়ে তুলতে চাই। প্রথম বিয়ের পর জীবনের কঠিনতম অধ্যায় কাটিয়েছি। তবে এই অধ্যায়েই আমি জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ পেয়েছি। তা হল আমার সন্তানরা। ওদের কতটা ভালবাসি, তা বলে বোঝাতে পারব না। ওদের প্রতি আমার ভালবাসা কখনও বদলাবে না। মা–বাবার নির্দেশে নাইলাকে বিয়ে করেছি। নাইলা আমার জীবনে শান্তি, মর্যাদা এবং শক্তি এনেছে। নতুন এই সম্পর্কের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল।’


যদিও ইমাদের দ্বিতীয় বিয়ের সময় চুপ ছিলেন সানিয়া। তবে আর থাকলেন না। পাক ক্রিকেটার পিএসএলে দল পাওয়ার পরই তাঁর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ করলেন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী।