আজকাল ওয়েবডেস্ক: 'আমি দুঃখিত, দলে সুযোগ পাইনি'। এটাই ছিল ১৭ বছরের তরুণীর শেষ কথা। দলে সুযোগ না পাওয়ায় জীবন শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন এক মহিলা উঠতি ক্রিকেটার। আত্মহত্যা করেন নাগপুরের অদিতি চৌখান্ডে। বাজাজনগর পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত লক্ষ্মীনগরের ঘটনা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। আকোলার বাসিন্দা হলেও মা এবং দাদার সঙ্গে নাগপুরে থাকতেন আদিতি। চাকরিসূত্রে আকোলাতে থাকেন তাঁর বাবা। সদ্য দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন উঠতি ক্রিকেটার। পুলিশের বয়ান অনুযায়ী, বড় ভাই প্রবালের সঙ্গে ক্রিকেটে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন অদিতি। সেও উঠতি ক্রিকেটার। 

বুধবার পর্যন্ত সবকিছু ঠিক ছিল। সেদিন মায়ের সঙ্গে রাতের খাবারও খান। তারপর নিজের ঘরে গিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনার সময় তাঁর দাদা শহরের বাইরে ছিল। মৃতের ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া যায়। তাতে দলে সুযোগ না পাওয়ার হতাশা ব্যক্ত করেন। মা-বাবাকে গর্বিত না করতে পারার আক্ষেপ করেন। সেই সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, 'দাদা, তুমি খুব ভাল খেলেছো। তুমি অনেক বড় হবে। আমাদের বাবা, মাকে গর্বিত কোরো। আমি দুঃখিত, আমি দলে সুযোগ পাইনি।' প্রাথমিক তদন্তের পর সিনিয়র ইন্সপেক্টর চেতন চৌহান জানান, দলে সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ ছিলেন। সেই থেকেই এই মারাত্মক পদক্ষেপ নেন। তিনি বলেন, 'বড় দলে সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ ছিল। সেই কারণেই এই পদক্ষেপ নেয়।' পুলিশ দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।